Extra marital affair : স্ত্রীর সঙ্গে সহকর্মীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে হঠাৎ হাজির স্বামী! তিন কনস্টেবলের বচসায় চাঞ্চল্য, ভাইরাল ভিডিও!

ভোররাতের নীরবতা ভাঙল হঠাৎ চিৎকারে। ঘরের বাইরে দাঁড়ানো এক যুবক ক্ষিপ্ত গলায় বলছেন তালা খুলতে, আর ভেতরে লুকিয়ে কেউ। এই দৃশ্যই এখন ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বিস্মিত, কেউ বা আবার মজার মন্তব্য করেছেন। তবে পুরো ঘটনার পিছনে রয়েছে এক জটিল সম্পর্কের কাহিনি, যেটা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে উত্তরপ্রদেশের কুশিনগরে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিথিলেশ যাদব নামে এক পুলিশ কনস্টেবল ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরেন রবিবার ভোরে। তখনই তাঁর চোখে পড়ে এক দৃশ্য, যা তিনি আগে থেকে সন্দেহ করলেও বিশ্বাস করতে চাননি। দেখা যায়, তাঁর স্ত্রী সিম্পি যাদব ঘরে বসে রয়েছেন আর এক কনস্টেবল বিশ্বনাথ রাইয়ের সঙ্গে। মিথিলেশের অভিযোগ, অনেক দিন ধরেই স্ত্রী বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন, সেই সন্দেহ সেদিন সত্যি হয়ে ওঠে।

ঘটনাকে সামলাতে সিম্পি স্বামীকে ঠেকাতে বিশ্বনাথকে একটি ঘরে আটকে দেন। মিথিলেশ বারবার স্ত্রীকে অনুরোধ করেন তালা খুলতে। কিন্তু সিম্পি রাজি হননি। তখনই মিথিলেশ ক্ষিপ্ত হয়ে দরজা ভাঙার চেষ্টা শুরু করেন। সেই দৃশ্যই ধরা পড়ে ভাইরাল ভিডিওতে। ভিডিওতে দেখা যায়, লোহার পাতের মতো একটি জিনিস দিয়ে দরজা ভাঙতে চাইছেন মিথিলেশ, আর বাইরে দাঁড়িয়ে সিম্পিকে অনুরোধ করছেন তালা খুলতে। পাশে দাঁড়ানো মানুষজন এই ঘটনার সাক্ষী হয়ে যান।

শেষমেশ তালা ভেঙে বের করে আনা হয় বিশ্বনাথকে। অভিযোগ উঠেছে, তখন তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাতও করেন মিথিলেশ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ হস্তক্ষেপে শেষমেশ বচসা থামে। মিথিলেশের দাবি, তাঁকে নাকি খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল সিম্পি ও বিশ্বনাথের পক্ষ থেকে। যদিও সেই অভিযোগ নিয়ে তদন্তের কথা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ Donald Trump : “আপনার নতুন চাকরি খুঁজে নেওয়া উচিত”— সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে ওভাল অফিসেই ফুঁসে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!

উল্লেখযোগ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই মিথিলেশ ও সিম্পির বিয়ে হয়েছিল। তাঁরা ভাড়া থাকতেন কুশিনগরের একটি বাড়িতে। বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই দাম্পত্যে ভাঙন নেমে আসে বলে অভিযোগ। ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে সাংবাদিক সচিন গুপ্তের এক্স হ্যান্ডল থেকে, যা ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নজর কেড়েছে। কেউ লিখেছেন, ‘‘পুলিশের বাড়িতে চুরি পুলিশেরই!’’, আবার কেউ সহানুভূতি জানিয়ে বলেছেন, ‘‘ওঁর উচিত নতুন করে জীবন শুরু করা।’’ এই ঘটনা প্রমাণ করল, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন কখনও কখনও কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাতে পারে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles