করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কেড়ে নিয়ে গেল বহু প্রাণ। এই বছর দেখল অক্সিজেনের জন্য হাহাকার, হাসপাতালের বেড পাওয়ার জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষা, ওষুধ, প্রতিষেধকের আকাল। গঙ্গা দেখল অজস্র লাশ।
এই মুহূর্তে স্রোত হীন হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ । কিন্তু দরজায় কড়া নাড়ছে তৃতীয় দফা। আর এই মোক্ষম সময়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়ার জন্য হাতে এলো আরও এক ওষুধ। মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা এলি লিল্লি অ্যান্ড কোম্পানী’র তৈরী করা করোনারি ওষুধকে ছাড়পত্র দিয়েছে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা DCGI।
করোনার মৃদু এবং মাঝারি উপসর্গ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের প্রয়োগ সম্ভব বলে জানাল ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। এটিসিভিমাব ১,৪০০ মিলিগ্রাম এবং বামলানিভিমাব ৭০০ মিলিগ্রামের মিশ্রনে এই ওষুধটি তৈরী হয়েছে। ১২ বছর কিংবা তার ঊর্ধ্বে কোভিড রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধটি ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত এর আগে করোনার বিরুদ্ধে লড়তে জাইডাস ক্যাডিলা-র তৈরি ওষুধ ‘ভিরাফিন’ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল DCGI। ভারতের তীব্র অক্সিজেন সংকটের সময় জানানো হয়েছিল এই ওষুধ ব্যবহারের করলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতির সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমবে। শুধু তাই নয়, মৃদু উপসর্গবিশিষ্ট রোগীদের ক্ষেত্রে এই ড্রাগ বিশেষভাবে কার্যকরী হবে বলে জানিয়েছিলেন। এবার অনুমোদন মিলল মার্কিন সংস্থা এলি লিল্লি অ্যান্ড কোম্পানীর তৈরি ড্রাগ টির।
উক্ত মার্কিন সংস্থার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর লুকা ভিসিনি জানিয়েছেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ভারতে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য আরও একটি ওষুধ এবার বাজারে আসতে চলেছে। তার জন্যে করোনা রোগীদের একসঙ্গে বামলানিভিমাব ৭০০ মিলিগ্রাম এবং এটিসিভিমাব ১,৪০০ মিলিগ্রাম মিশিয়ে ইঞ্জেক্ট করতে হবে। এই ওষুধ ব্যবহারে অতি শীঘ্র মৃদু ও মাঝারি উপসর্গ বিশিষ্ট করোনা রোগীরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন, বলে দাবি করে জানিয়েছে ওই সংস্থা।





