কঠোর রায় আদালতের! বিজেপি নেতার খু’নে নিষিদ্ধ সংগঠন PFI-এর ১৫ জন সদস্যকেই মৃ’ত্যু’দ’ণ্ড দিল আদালত

বিজেপি নেতার খু’নের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্টের ১৫ জন সদস্যকে মৃ’ত্যু’দ’ণ্ড দিল কেরালা আদালত। ২০২১ সালে খু’ন হয়েছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী রঞ্জিত শ্রীনিবাসন। সেই খু’নের সঙ্গে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার তাদেরই মৃ’ত্যু’দ’ণ্ডে’র নির্দেশ দিল আদালত।

কারা এরা?

কেরালা আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আসামীদের মধ্যে আটজন সরাসরি খু’নের সঙ্গে জড়িত ছিল। আর বাকিদের এই অপরাধের ষড়যন্ত্রে সামিল থাকার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত এই আটজন হল –আজমল, নিজাম, অনুপ, সালাম, আব্দুল কালাম, মহম্মদ আসলাম, মুনশাদ, সফরউদ্দিন, নওয়াজ, জাজিব, শেমির, জাকির হুসেন, শামনাজ, নাজির, ও শাজি।

https://twitter.com/ANI/status/1752216749716729971?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1752216749716729971%7Ctwgr%5Ea84f0ca363b33cddf0e4b438b5ee8b844a799e27%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fkerala-court-gives-death-sentence-to-15-pfi-workers%2F

কী ঘটেছিল ঘটনাটি?

কেরল বিজেপির ওবিসি মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা আরএসএস নেতা রঞ্জিত শ্রীনিবাসন আলাপুঝার ভেল্লাকিনারের বাসিন্দা ছিলেন। ২০২১ সালে ১৯ ডিসেম্বর তাঁর বাড়িতে চড়াও হয় কিছু হামলাকারী। তাঁর গোটা পরিবারকে হেনস্থা করে তারা। রঞ্জিত শ্রীনিবাসনের মা, স্ত্রী ও শিশুসন্তানের সামনেই রঞ্জিতকে নৃশংসভাবে তরোয়াল দিয়ে কু’পি’য়ে খু’ন করা হয়।

এই ঘটনায় পুলিশ দাবী করে, এফআই-এর মূল সংগঠন এসডিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক কেএস শানের হ’ত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই খু’ন করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর আলাপুঝার মান্নানচেরিতে মারাত্মক হামলা হয়েছিল কেএস শানের উপর। এরপর মৃ’ত্যু হয় তাঁর।

এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের সদস্যদের। ১,০০০টিরও বেশি নথি ও ১০০টিরও বেশি নানান প্রমাণ-সহ চার্জশিট দাখিল করা হয় আদালতে। গত ২০ জানুয়ারি কেরলের মাভেলিকারার অ্যাডিশনাল সেশনস কোর্ট ১৫ জন অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে।

সরকার পক্ষের আইনজীবী দোষীদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছিলেন। ওই ১৫ জনকে পেশাদার খু’নি বলে দাবী করেন তিনি। রঞ্জিত শ্রীনিবাসনকে যেভাবে তাঁর গোটা পরিবারের সামনে খু’ন করা হয়েছিল, তা বিরলতম অপরাধ। সেই ঘটনাতেই এবার আজ, মঙ্গলবার দোষীদের মৃ’ত্যু’দ’ণ্ডের আদেশ দিল কেরলের আদালত।

RELATED Articles