আজ মহাত্মা গান্ধীর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। আর এইদিনেই টুইটারে সকাল থেকে যে নামটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে, তা হল নাথুরাম গডসের। হ্যাশট্যাগ নাথুরাম গডসে ট্রেন্ড শুরু হয়েছে টুইটারে যা এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজারবার টুইট করা হয়েছে।

তথাকথিত বামপন্থীরা যখন থেকে নাথুরাম গডসেকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ক্ষুব্ধ হয়ে হ্যাশট্যাগ দিয়ে পোস্ট করা শুরু করল, সেই সময় থেকেই মাইক্রোব্লগিং সাইটে নাথুরাম গডসে ট্রেন্ড হওয়া শুরু করেছে। এই কারণেই এই ট্রেন্ডটি আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়া শুরু হয়।
এই বামপন্থীদের মধ্যে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন স্বাতী চতুর্বেদী। তিনি নিজেদের অবসর সময় ইন্টারনেটে ব্যয় করেন বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তথ্য সংগ্রহ করতে। হাস্যকরভাবে এই ‘সাংবাদিক’ এই হ্যাশট্যাগ করা টুইটার ব্যবহারকারীদের বিকৃত বলে অভিহিত করেছেন।

এমনকি মিথ্যে খবর প্রচারকারী সাবা নাকভিও এই হ্যাশট্যাগের ট্রেন্ড দেখে বেশ বিস্মিত। সিপিআইএম নেতা মহম্মদ নাথুরাম গডসেকে ট্রেন্ড করানো মানুষদের দেশের বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করেন। কিন্তু তিনি হয়ত এটা বোঝেননি যে এই কাজ করে তিনি নিজেও সেই ট্রেন্ড করানো মানুষের আওতাতেই পড়লেন। কংগ্রেস নেতা সলমন নিজামি যিনি দিল্লিতে নির্ভয়া কাণ্ডের পর কুরুচিকর পোস্ট করেছিলেন, তিনিও এই ঘটনায় সাফাই শুনিয়েছেন।
হয়ত এই ‘বুদ্ধিজীবী’ মানুষেরা টুইটার ট্রেন্ডের অ্যালগারিদম সম্বন্ধে অবহিত নন। কোনও একটি হ্যাশট্যাগ তখনই ট্রেন্ড হয়, যখন অনেক মানুষ একসঙ্গে হ্যাশটাগ দিয়ে কোনও একটি নাম পোস্ট করেন। এইভাবেই গান্ধীজির পৃষ্ঠপোষকরা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে একাধিকবার এই নামটি পোস্ট করায় তা ট্রেন্ডে উঠেছে। রাহুল গান্ধী-সহ কংগ্রেসের নানান নেতা নরেন্দ্র মোদী ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে অপদস্ত করার জন্য নাথুরাম গডসের নাম ব্যবহার করে এসেছেন। এটি একটি পরিচিত পন্থা যা বারবার হয়ে এসেছে। তবে, নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করতে এই জিনিসটি অনেক চেষ্টায় আটকানো সম্ভব হয়েছে।





