বুধবার থেকে সারা দেশ জুড়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ জুড়ে হয়েছে ২১ দিনের লক-ডাউন । এই ২১ দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান ছাড়া বাকি সব কিছুই বন্ধ ৷ শাক-সবজি, চাল-ডাল থেকে শুরু করে মাছ-মাংস, ডিম, ওষুধেরই যেখানে আকাল দেশজুড়ে, সেখানে মদ কিনতে পাওয়াটা তো ‘অ্যালকোহলিক’ দের কাছে এখন স্বপ্ন ৷ কিন্তু একদিন, দু’দিন যারা রোজই বেঁচে থাকতেন ওই মদের ওপর তাদের পক্ষে এই সময়টা খুবই দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
কিন্তু চাইলেই বা তাঁরা পাবেন কোথায় ৷ সব মদের দোকান তো বন্ধ ৷ কিছু কিছু যেগুলো কিছু সময়ের জন্য দোকানের ঝাঁপি তুলছে সেখানে মানুষের ঢল উপচে পড়ছে ৷ অনেকের বাড়িতে অবশ্য ডিরেক্টর পৌঁছে যাচ্ছে হুইস্কি, রাম, ভদকাও ৷ কিন্তু এসবের মধ্যেই মদ না পেয়ে আত্মহত্যার পথই বেছে নিলেন কেরলের ৩৮ বছরের এক ব্যক্তি সানোজ৷ ত্রিশূরের থাবানুরের কুন্নামকুলাম এলাকায় শুক্রবার আত্মঘাতী হন গলায় ফাঁস দিয়ে। এলাকায় তিনি আঁকার জন্য বেশ পরিচিত ছিলেন ৷ নিজের ঘরেই এদিন গলায় দড়ি দেন শুধুমাত্র মদ না পাওয়ার দুঃখে ।
সানোজের ভাই জানিয়েছেন, গত দু’দিন ধরে লকডাউনের জেরে মদ কিনতে পারছিলেন না তাঁর দাদা ৷ বৃহস্পতিবার একদিক ওদিক হন্যে হয়ে খুঁজেও যখন তিনি মদ পেলেন না তখন রাত থেকেই বাড়িতে তাণ্ডব শুরু করেন । তারপরই তাঁর মৃতদেহ তাঁরই ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় ৷ কেরলের আবগারী দফতরের তরফে বলা হয়েছে, ওই রাজ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষই মদাসক্ত৷ তাদের পক্ষে এভাবে হঠাৎ করে মদ না পাওয়াটা এখন অত্যন্ত সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে ৷ আর মদ না পাওয়ার কারণে সরোজ যদি আত্মঘাতী হতে পারেন তাহলে বাকিদের কি অবস্থা হচ্ছে।





