করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের দিকে তাকিয়ে এখন গোটা দেশবাসী। এই ভ্যাকসিন দেশের প্রতিটা মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছবে, কারা এই ভ্যাকসিন আগে পাবেন, এই নিয়ে চলছে এখন বিস্তর আলোচনা। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য মোবাইল টেকনোলোজির উপরেই আস্থা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এমনটাই জানালেন তিনি।
আজ, মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান মোবাইল কংগ্রেস ২০২০-তে উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার সময় মোদী বলেন এই অতিমারির মধ্যেও দুঃস্থ, গরীব মানুষদের সহায়তা করতে মোবাইল টেকনোলোজিই ছিল ভরসার পাত্র। লকডাউনের সময় যখন হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় হাঁটছিল, তখন তাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখার জন্য মোবাইল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভিন্ন ভিন্ন শহরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি, স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা এই মোবাইলের মাধ্যমেই নিজেদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পেরেছিল। তিনি আরও বলেন, “এই মোবাইল প্রযুক্তির সাহায্যে অতিমারিতে লকডাউনের সময় ক্যাসলেস লেনদেন করতেও সুবিধা হয়েছিল”।
এসব দেখেই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেন যে করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহের ক্ষেত্রেও এই মোবাইল প্রযুক্তি বিশেষ সাহায্য করবে। এই মুহূর্তে ভারতের ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ভারত বায়োটেক নিজেদের তৈরি করোনার টিকা ভারতের বাজারে উপলব্ধ করতে অনুমোদন চেয়েছে।
এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদী এও বলেন যে, প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দারা উন্নতমানের মোবাইল পরিষেবা পাবেন। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে হাইস্পিড মোবাইল পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। তাছাড়া, মোবাইল বর্জ্যের ঠিকঠাক ব্যবহারের জন্যও একটি টাস্ক ফোর্স গঠন কড়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন যে, গোটা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে দ্রুতই ভারতে 5জি পরিষেবা চালু করা হবে।





