নিজের ধর্ম লুকিয়ে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে এক হিন্দু মহিলাকে বিয়ে করে এক মুসলিম যুবক। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরই মহিলা জানতে পারেন তাঁর স্বামীর আসল ধর্ম ও পরিচয়। এরপর থেকেই মহিলাকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করানোর চেষ্টা করতে থাকেন ওই মুসলিম যুবক। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের পুলিশ গ্রেফতার করে ওই যুবককে।
আরও পড়ুন- ‘মিঠুন চক্রবর্তী মূলত একজন নকশাল’, অভিনেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে সৌগত রায়
অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম মইনুদ্দিন। নিজের নাম, পরিচয় গোপন করে গত বছর মহিলার সঙ্গে আলাপ করে সে। নিজের পরিচয় দেয় মুন্না যাদব নামে। পুলিশকে এমনটাই জানিয়েছেন অভিযুক্তের স্ত্রী। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সন্ত কবীরনগরের একটি মন্দিরে তারা বিয়েও করেন।
বিয়ের কিছুদিন পর অভিযুক্ত নিজের আসল পরিচয় ও ধর্ম প্রকাশ করে তাঁর স্ত্রীয়ের কাছে। তাঁর স্ত্রীয়ের অভিযোগ, এরপর থেকেই তাঁর উপর চাপ দেওয়া হতে থাকে ধর্মান্তকরণের জন্য।
আরও পড়ুন- যিশু সেনগুপ্তও কী এবার বিজেপিতে?
গত শনিবার অভিযুক্তের স্ত্রীর কাছে খবর আসে জেতার স্বামী ফের বিয়ে করতে চলেছে। শেষ পর্যন্ত, উপায় না দেখে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। পুলিশকে ফোন করে সব কথা জানান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গত রবিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের ধর্মান্তরণ বিরোধী আইনেও মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।






