২০২১ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি, ২০০ আসনের লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে ৭৭টি আসন নিয়েই খুশি থাকতে হয় তাদের।
বিধানসভায় ভরাডুবির পর বঙ্গ বিজেপি মধ্যে অনেকেই পুরানো দল তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চেয়ে বেসুরো বাজতে শুরু করেন, বিজেপি সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসলেন নরেন্দ্র মোদী , অমিত শাহ এবং বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, খুব দ্রুত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বেশকিছু রদবদল করবেন মোদী, তার আগে অমিত শাহ এবং নাড্ডা সাথে বৈঠক করছেন তিনি।
অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, আসন্ন উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হতে পারে, বাংলায় হারের পর উত্তরপ্রদেশের জন্য সর্বশক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে চায় গেরুয়া শিবির। আবার বঙ্গ বিজেপি ভাঙন ধরিয়ে মুকুল রায়ের তৃণমূল যাওয়া নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
দ্বিতীয় বার ভারতীয় জনতা পার্টি ক্ষমতায় আসার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেক নেতাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পদ পাবেন বলেই আশাবাদী, আর তাই এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বেশ কিছু বদল চান বিজেপি নেতৃত্ব।
বেশকিছু নতুন নাম সামনে উঠছে, শোনা যাচ্ছে, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হবার কথা থাকলেও এখনও জল্পনা আছে।বিহারের নির্বাচন জয়ের পরে তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পদ দেওয়া হবে তাই তাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয় নি।
অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকেও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, আবার সর্বানন্দ সোনওয়ালকেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শোনা যাচ্ছে। আলোচনার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের নাম ও উঠে এসেছে, শোনা যাচ্ছে বিপুল ভরাডুবির পরে কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বাংলা থেকে কাউকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হতে পারে।
উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপি র, তাই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোমর বেঁধে নামতে চায়।শুক্রবার দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাথে দেখা করে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তারপরেই বিজেপির হাই কমান্ডের এই মিটিং রাজনৈতিক মহলে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুলে যোগদান করার পরে অনেক নেতাই ফের তৃণ মূলে ফিরতে চান, এ নিয়ে আলোচনা হবে সেটা হয় না।





