১৯৭৫ সালের ২৫শে, এই দিনই দেশজুড়ে জারি হয়েছিল ‘জরুরি অবস্থা। এই ঘটনা ভারতের ইতিহাসে এক কালিমালিপ্ত অধ্যায়। আজ, শুক্রবার এই জরুরি অবস্থার ৪৬ তম বর্ষপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেন ও এই প্রসঙ্গ নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষও করেন।
নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগড়ে মোদী টুইটে লেখেন, “জরুরি অবস্থার সময়ের সেই অন্ধকার দিনগুলিকে কখনওই ভোলা সম্ভব নয়। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল প্রতিষ্ঠানের পদ্ধতিগত ধ্বংসলীলার সাক্ষী থেকেছে। আসুন সম্ভাব্য সমস্ত উপায়ে ভারতের গণতান্ত্রিক চেতনাকে মজবুত করার অঙ্গীকার করি। এবং সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত মূল্যবোধগুলি মেনে চলি”।
https://twitter.com/narendramodi/status/1408281394673897475
এরপর তিনি আরও একটি টুইট করেন।সেই পোস্টে কংগ্রেসকে সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই ভাবেই কংগ্রেস আমাদের গণতান্ত্রিক নীতিকে পদদলিত করেছিল। সেই সমস্ত মহান মানুষদের আমরা স্মরণ করি যাঁরা জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করে ভারতীয় গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছিলেন”।
https://twitter.com/narendramodi/status/1408281534876962816
বলে রাখি, আজ থেকে ৪৬ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ২৫শে জুন তারিহে দেশে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই সময় নির্বাচনে তিনি অসুদপায় অবলম্বন করেছিলেন। এই অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে এলাহাবাদ কোর্ট।
শুধু তাই-ই নয়, ইন্দিরা গান্ধীকে ছয় বছরের জন্য সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপরই তিনি জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেন। ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নানান বিরোধী নেতারা কারাগারে বন্দি ছিলেন। সাংবিধানিক অধিকারকে খুন্ন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমকেও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয় সেই সময়।
আরও পড়ুন- সিরিঞ্জে নেই কোনও ভ্যাকসিন, দেওয়া হল ইঞ্জেকশন, ‘ভুলে গিয়েছিলাম’ সাফাই নার্সের
এই জরুরি অবস্থা নিয়ে বিজেপি বরাবরই কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে এসেছে। এই দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নিজেও স্বীকার করেন যে এই জরুরি অবস্থার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তিনি এও বলেন যে কংগ্রেস কখনই সাংবিধানিক পরিকাঠামোকে ধ্বংস করতে চায়নি। তবে এ নিয়েও পরবর্তীকালে সমালোচনা করে পদ্ম শিবির।a





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!