বারাণসী একদিকে যেমন বিখ্যাত কাশী-বিশ্বনাথের মন্দিরের জন্য, তেমনই বিখ্যাত নানান অলিগলির জন্যও। গঙ্গার ঘাট থেকে কাশী-বিশ্বনাথের মন্দিরে যাওয়ার জন্যও দর্শনার্থীদের গলির মধ্যে দিয়েই যেতে হয়। তবে এবার থেকে আর নয়। এবার থেকে যাওয়া যাবে ঝাঁ চকচকে রাস্তা দিয়েই। আজ, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই উদ্বোধন হবে কাশী বিশ্বনাথ করিডরের।
এই করিডর তৈরির আগে গঙ্গা থেকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির সরাসরি দেখা যেত না। তবে এবার এই করিডর ললিতা ঘাট থেকে মন্দিরকে সরাসরি যুক্ত করবে। এর ফলে গঙ্গাস্নান সেরেই পুন্যার্থীরা জ্যোতির্লিঙ্গকে দর্শন করতে পারবেন।
এদিন করিডরের প্রথম অংশই কেবল উদ্বোধন হবে। শুধু করিডর উদ্বোধনই নয়, নানান বিষয়ে নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিন প্রথম নৌকায় চেপে ললিতা ঘাটে পৌঁছবেন মোদী। সেখান থেকে হেঁটে যাবেন কাশী-বিশ্বনাথ মন্দিরে। সেখানে গর্ভগৃহে প্রবেশ করে ১৫ মিনিট ধরে করবেন বিশেষ আরতি। মন্দির থেকে বেরিয়ে প্রদীপ প্রজ্বলন করবেন তিনি।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিজেপি শাসিত নান্না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। থাকবেন রাজ্যের পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রী নীলকান্ত তিওয়ারি। এদিন নানান নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ক্রুজ বোটে চেপেই প্রথম বৈঠক সারবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যের সময় নানান ঘাটে গঙ্গা আরতির সময়ই প্রাথমিক আলোচনা সারা হবে বলে খবর।
অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর গায়ে শাল জড়িয়ে দেবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমেই অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। মন্দিরের গঠন থেকে শুরু করে এর পুরাতাত্ত্বিক, পৌরাণিক গুরুত্ব নিয়ে একটি ছোট ডকুমেন্টারিও দেখানো হবে।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার পরই প্রধানমন্ত্রী বাবা বিশ্বনাথের প্রসাদ গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি গোটা মন্দির চত্বর ঘুরে দেখতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। বিএলডব্লু গেস্ট হাউসে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।





