এতদিন সমস্ত সরকারি স্কুলগুলোতে দেওয়া হত মিড ডে মিল। তবে এবার থেকে মিড ডে মিলের পাশাপাশি স্কুলের পড়ুয়াদের পুষ্টিকর জলখাবারও দেওয়ার কথা ভাবছে কেন্দ্র।
গত মঙ্গলবার কেন্দ্র নতুন শিক্ষানীতির (New Education Policy 2020 বা NEP 2020) কথা ঘোষণা করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বাচ্চারা যদি অপুষ্টিতেই ভোগে তাহলে পড়াশুনা করবে কি করে? কারণ শরীরের শক্তি, বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জন্য চাই পুষ্টিকর খাদ্য। কেন্দ্রের তরফে এই পুরো প্রক্রিয়ার জন্য প্রশিক্ষিত সমাজকর্মী, মনোবিদদের নিয়োগও করা হবে। এমনকি অন্তর্ভুক্ত করা হবে সমাজকেও।
পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে মানুষের অর্থাভাবও যে একটা বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাও কমানোর চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্কুলগুলিকে, যাতে তাঁরা পড়ুয়াদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার বন্দোবস্ত করেন এবং তাদের ‘স্বাস্থ্য কার্ড’ (হেলথ কার্ড) ও বিলি করেন।
তবে শুধু মিড ডে মিলে বাচ্চাদের পুষ্টির ঘাটতি মিটছে না। তাই নয়া শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে যে, বিষয়গুলি বুঝতে বেশি মস্তিষ্ক কাজে লাগাতে হয়, সেগুলির আগে সকালে পুষ্টিকর জলখাবার দেওয়া হবে। যা পড়ুয়াদের পক্ষে উপযোগী। নয়া শিক্ষানীতির নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘খাবারের মান এবং পুষ্টিগত উপাদান নিশ্চিত করতে খাবারের দাম এবং মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে জলখাবারের খরচ যোগ করা হবে।’ তবে মিড ডে মিল নিয়ে যে পরিমাণ দুর্নীতির অভিযোগ শুনতে পাওয়া যায় সমস্ত দেশ জুড়ে সেখানে পুষ্টিকর জলখাবার কিভাবে জুটবে সেটাই ভাবার বিষয়।





