অবশেষে এল সেই মুহূর্ত। আজ, মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই অর্থবর্ষের বাজেটের দিকে তাকিয়ে নানান মহল। একাধিক মহল আশা করছেন যে আয়করের দিকে কিছুটা হয়ত ছাড় দেওয়া হবে।
তবে এবারের বাজেট যে অর্থমন্ত্রীর কাছে বেশ কঠিন, তা বলাই বাহুল্য। সামনেই পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন। বাজেটের ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ রেখে কীভাবে কর্মসংস্থান বাড়ানো যায়, কীভাবে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের সমস্যার সমাধান ঘটানো যায়, অর্থনীতিকে কীভাবে ফের চাঙ্গা করা যায়, এখন সেসবই রয়েছে অর্থমন্ত্রীর প্রথম সারির তালিকায়।
এদিন বাজেটের শুরুতেই কেন্দ্রের লক্ষ্য স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর কথায়, “আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হল দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের আর্থিক সাহায্য করা”। তিনি এও জানান যে ২০২২-২০২৩-এর এই বাজেটে বিশেষ উপকৃত হবেন মহিলা, কৃষক, তপশিলী জাতি ও উপজাতিরা। কর্মসংস্থান বাড়াতে আত্মনির্ভরতার বার্তা দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “আত্মনির্ভর ভারতে বিপুল কর্মসংস্থান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই বাজেটই আগামী ২৫ বছরের আর্থিক দিশা দেখাবে”। দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে ডিজিটাল অর্থনীতিতে জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ২০২১-২২ এর বাজেট লগ্নিতে গতি এনেছে। আর্থিক বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.২ শতাংশ। পিএম গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যানের লক্ষ্য উন্নয়ন। সাত ইঞ্জিনে ভর করে পিএম গতিশক্তি এগোবে।
বাজেট অধিবেশনে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে ওমিক্রনের ঢেউ চলছে বর্তমানে। তবে টিকাকরণেও এগিয়ে চলেছি আমরা। আমাদের দেশের টিকাকরণের গতিই দ্রুত সুস্থতার পথ দেখাচ্ছে। ‘সবকা সাথ, সবকা প্রয়াস’-এর হাত ধরে আমরা এগিয়ে যাব বলে আমার বিশ্বাস”।
এছাড়াও পার্বত্য এলাকায় যোগাযোগের জন্য রোপওয়ে, শিক্ষার জন্য আলাদা টিভি চ্যানেল আনার কথাও এদিনের এই বাজেটে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। অতিমারিতে পড়ুয়াদের পড়াশোনার যে ক্ষতি হচ্ছে, তা সামলাতে আসছে নতুন টিভি চ্যানেল। এছাড়াও শেয়ারবাজারে বিমা নিগমের আইপি আনার কথাও ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারমণ। কৃষিক্ষেত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান যে দেশে তৈলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এমএসএমইতে ২ লক্ষ কোটি বাড়তি বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





