শনিবার রাত, নয়ডার সেক্টর ৩০। সবে যেন একটু ঠান্ডা পড়েছে শহরের বুকে। এমন সময়ই ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা, যা স্তব্ধ করে দিয়েছে গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, হঠাৎ করেই পিজিআই হাসপাতালের সামনে দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে এল একটা BMW। গাড়ির গতি দেখে মনে হচ্ছিল, চালক যেন রাস্তা নয়, রেস ট্র্যাকে চালাচ্ছে গাড়ি! আর সে গাড়িটাই ধাক্কা মারে একটা স্কুটারকে।
স্কুটারে ছিলেন এক পুরুষ, এক মহিলা আর তাঁদের পাঁচ বছরের ছোট্ট সন্তান। ধাক্কা এত জোরে ছিল যে স্কুটারটা উল্টে ছিটকে যায় দূরে। তিনজনই ছিটকে পড়েন রাস্তায়। কিন্তু শিশুটি বাঁচেনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মা-বাবাও গুরুতর জখম হন।
এত বড় দুর্ঘটনার পরেও পালাতে চেষ্টা করে গাড়ির চালক। স্থানীয়রাও কম যান না — এক মুহূর্ত দেরি না করে ধরে ফেলেন তাকে। গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে, ঘাড় ধরে তুলে দেন পুলিশের হাতে।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari : “মোদীজি বড় গ্যারান্টর, আমি ছোট গ্যারান্টর”— ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নিয়ে আশ্বস্ত করলেন শুভেন্দু, ১৫ আগস্ট রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি!
নয়ডা পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। আটক করা হয় চালককে। জানা যাচ্ছে, BMW-তে দু’জন ছিলেন, এবং দু’জনেই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই গাড়িটি সিজ় করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ফের একবার সামনে এল প্রশ্ন— কেবল গাড়ি দামি হলেই কি দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলি আমরা? একজন চালকের গাফিলতিতে জীবন গেল এক নিষ্পাপ শিশুর। কে নেবে এর দায়?





