একদিকে দেশে করোনা সংক্রমন কমছে না, অন্যদিকে সারা দেশের বিজ্ঞানীরাও লেগে পড়েছেন করোনার মোকাবিলার উপযুক্ত ঔষধ আবিষ্কারের জেদে। রেমডেসিভির বা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনই এতদিন করোনার ওষুধের জন্য চর্চায় ছিল। কিন্তু এবার তার থেকেও শক্তিশালী ও কার্যকর একটি ওষুধের নাম শোনা গেল। ওই ওষুধকে নিয়ে পরীক্ষা করার বা Clinical Trial–এরও অনুমতি পেল নোভালিড ফার্মা নামে এক ভারতীয় সংস্থা। Drug Controller General of India (DCGI)–এর পক্ষ থেকে তাদের এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এই নব্য চর্চিত ওষুধের সাংকেতিক নাম হলো NLP21। অনেকদিন ধরেই এটি চিকিৎসকরা ব্যবহার করছেন। এর তেমন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। যদিও এই মুহূর্তে সংস্থা এই ওষুধ নিয়ে কিছু বলতে চায়নি। কারণ, এই ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। আর যদি এই ওষুধ সম্পর্কে মানুষ আগে থেকে জেনে যান তবে পরীক্ষার আগেই মানু্ষ এর ব্যবহার শুরু করে ফেলবেন। তবে তাঁরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকায় এই ওষুধ নিয়ে গবেষণা চলছে। তাতে দেখা গিয়েছে রেমডেসিভির বা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, পেভিপিরাভিরের থেকে এই ওষুধ বেশি কার্যকর। উপরোক্ত ওষুধগুলিই আপাতত করোনা মোকাবিলায় কোনও না কোনও ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।
NLP21 করোনা ভাইরাসের ওপর সফলভাবেই কাজ করেছে। এটি অসুস্হ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করলে ভাইরাসের মোকাবিলায় এরা যথেষ্ট সক্ষমতা দেখায় এবং মানুষের শরীরে ভাইরাল লোডও কমায়। এই সব উপকারিতার কথা বিবেচনা করেই, এটিকে কাজে লাগানো যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে চলেছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালে ১০০–১৫০ রোগীর ওপর এই ওষুধের পরীক্ষা করা হবে জানিয়েছে সংস্থা। ২১ দিন পর তাদের শারীরিক অবস্থা বিচার করে বোঝা যাবে রোগীর শরীরে কতটা ভাইরাল লোড কমেছে, এবং রোগী কতটা সুস্থতার দিকে এগিয়েছেন।





