বলেছিলেন, ‘মন্দির ওয়াহি বনেঙ্গে’। আর সেটাই করে দেখালেন মোদী। প্রায় এক শতাব্দী ধরে চলতে থাকা আইনি টানাপড়েনের ইতি। তিন বছর ধরে দিনরাত এক করে চলতে থাকা নির্মাণ অবশেষে পেল মান্যতা। ৫০০ বছরের গৌরব ফিরল অয্যোধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হলে অযোধ্যার রামমন্দিরের রামলালার।
২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি এক ঐতিহাসিক দিন হিসেবে গণিত হবে এরপর থেকে। অবশেষে ৫০০ বছর পর বনবাস কাটিয়ে সরযূ নদীর তীরে নিজের রাজ্যে ফিরলেন শ্রীরাম। আবেগে ভাসল গোটা দেশবাসী। এদিন ১২টা ৩০ মিনিটে নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই প্রাণ পেলেন রামলালা।
এদিন এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন ১৪ জন যজমান দম্পতি। প্রায় আট হাজার অতিথিদের উপস্থিতিতে পালিত হল এই মহোৎসব। যারা সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারলেন না, তারা ভারচুয়ালি অংশ নিলেন এই প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। এদিন গর্ভগৃহে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ছিলেন রাষ্ট্রীয় সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। এছাড়াও এদিন রামমন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন নানান তারকারাও।
শুধুমাত্র দেশই নয়, বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে রয়েছে প্রভু রামের ভক্তরা। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে বিদেশের ভক্তদেরও উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো। এদিন দিনভর রামনাম জপ করেন ব্রিটেন, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার ভক্তরা।
১৯৯২ সালে থেকেই শুরু ‘মন্দির ওয়াহি বনেঙ্গে’ স্লোগানের। আর সেই ‘ওইখানেই’ মন্দির হল। দেরিতে হলেও নিজের জন্মভূমিতে ফিরলেন রামচন্দ্র। উত্তর থেকে দক্ষিণ, আজ শুধু ভক্তদের মুখে একটাই ধ্বনি ‘জয় শ্রী রাম’।





