সুরাপ্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ! বেড়ে গেল বিয়ারের দাম

ইউক্রেনের সীমান্তে হুঙ্কার শানাচ্ছে পুতিন বাহিনী। ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যেকার এই যুদ্ধংদেহী মেজাজের কারণে সুরাপ্রেমীদের জন্য মিলল দুঃসংবাদ। এই যুদ্ধের আবহে বাড়তে পারে বিয়ারের দাম। অন্তত, সুরা ব্যবসায়ীরা তেমনটাই আশঙ্কা করছেন।

এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের সঙ্গে বিয়ারের দামবৃদ্ধির সম্পর্ক কী?

আসলে, বিয়ার তৈরির অন্যতম মূল উপকরণ হল গম। আর এই গম উৎপাদনের অন্যতম দুই উৎপাদক দেশ হল রাশিয়া ও ইউক্রেন। গম উৎপাদনের দিক দিয়ে রাশিয়া রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে ও ইউক্রেন রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আবার বিয়ার তৈরি করার জন্য দরকার পড়ে বার্লিরও। আর বার্লি রপ্তানিকারক দেশগুলির মধ্যে প্রথম পাঁচেই স্থান রাশিয়া ও ইউক্রেনের।

ফলে এই দুই দেশের মধ্যেই যদি যুদ্ধ বাঁধে তাহলে এর প্রভাব যে গম ও বার্লির উৎপাদন ও রপ্তানির উপরও এসে পড়বে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর কাঁচামালের দাম যদি বাড়ে, তাহলে এর প্রভাব পড়বে বিয়ারের দামের উপরেও, এই হিসাব বেশ স্পষ্ট।

এই প্রসঙ্গে বিয়ার সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ অঙ্কুর জৈন এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলেন, “বার্লির দাম আগেই বেড়েছে। এবার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বার্লির দাম ফের বাড়বে। যার জেরে শিল্পমালিকদের লাভের পরিমাণ কমবে। এখন এটাই দেখার যে সেই লাভের পরিমাণ অপরিবর্তিত রাখতে সংস্থাগুলি বিয়ারের দাম বাড়ায় কী না”।

আবার এই একই কথা শোনা গেল বিয়ার ক্যাফের কোফাউন্ডার রাহুল সিংয়ের কাছেও। তিনি জানান, “গত দু’বছর ধরে ব্যবসায় মন্দা গিয়েছে। এবার এই যুদ্ধও বাজারে প্রভাব ফেলেছে। সুতরাং বিয়ারের দামবৃদ্ধি অস্বাভাবিক কিছু নয়”।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যুদ্ধ শুরু হল রপ্তানির ক্ষেত্রে বাধা পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এর জেরে বিয়ারের দামের উপর পড়বে প্রভাব। তবে এই পরিস্থিতি এখনই এমন হবে কী না, সে বিষয়ে অবশ্য এখনই কেউ মুখ খোলেন নি।

আরও অন্যান্য খবর