এনপিপিএ-র হস্তক্ষেপে প্রায় ৪৭ শতাংশ দাম কমল এন-৯৫ মাস্কের

দেশে এখন করোনা সংক্রমনের হার বেড়েই চলেছে। এই সময় দাঁড়িয়ে মানুষের অতিপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মাস্ক। করোনা মোকাবিলায় এখন এন-৯৫ মাস্কের দাম কমে প্রায় অর্ধেক হল। চলতি করোনার মরশুমে দেশ জুড়ে মাস্কের যথেচ্ছ দাম নিচ্ছিল দোকানদাররা। এবার ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপিএ এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় মাস্কের নির্মাতা ও আমদানিকারী সংস্থাগুলি এর দাম প্রায় ৪৭ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে।

এতদিন একটা এন-৯৫ মাস্ক এর বাজার মূল্য ছিল ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দামের মধ্যে। কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রক এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে বলেন, গত ২১ মে এনপিপিএ সব মাস্ক নির্মাতা, আমদানিকারী ও সরবরাহকারী সংস্থাকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, বেসরকারি ক্ষেত্রে এন-৯৫ মাস্কের দাম যেন অতিরিক্ত নেওয়া না হয়। সামঞ্জস্য বজায় রেখে দাম হতে হবে বাস্তবোচিত। এই বিবৃতি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মাস্কের দাম সস্তা হয়েছে।

এনপিপিএ বম্বে হাই কোর্টকে জানিয়েছে, করোনায় দেশ জুড়ে এন-৯৫ মাস্কের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাস্কের নির্মাতা, আমদানিকারী ও সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকে তারা স্বেচ্ছায় দাম কমানোর পরামর্শ দিয়েছে। নির্দেশিকা জারি করার পরই হুর হুর করে এন-৯৫ মাস্কের দাম কমতে দেখা গেল। সারা দেশে এই মাস্কের দাম এখন পকেটসাধ্য। দেশে যথেষ্ট পরিমানে যাতে এই মাস্ক পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র। এ জন্য পাইকারি হারে বিশালসংখ্যক মাস্ক নির্মাতা, আমদানিকারী ও সরবরাহকারীদের কাছ থেকে তারা সরাসরি মাস্ক কিনছে বলে জানা গেছে।

অত্যাবশ্যক পণ্য আইন, ১৯৯৫-এর অন্তর্গত এন-৯৫ মাস্ককে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে এনপিপিএ সবকটি রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল যাতে সার্জিক্যাল ও প্রোটেকটিভ মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও গ্লাভসের দাম প্যাকেটের ওপর লেখা প্রাইসের বেশি না নেওয়া হয়। এবার এন-৯৫ মাস্কের কালোবাজারি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হল রাজ্যগুলিকে।

RELATED Articles

Leave a Comment