Women Empowerment: রাষ্ট্রীয় সামরিক শিক্ষাবাহিনীতে বাড়ল নারীদের যোগদানের হার, ঘোষণা প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

রাষ্ট্রীয় সামরিক শিক্ষাবাহিনীতে নারীদের যোগদানের হার ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেল। এই ঘটনা নারী ক্ষমতায়নকে আরও বেশিমাত্রায় প্রসারিত করবে, এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আগে এনসিসি বা রাষ্ট্রীয় সামরিক শিক্ষাবাহিনীতে নারীদের যোগদানের ঘার ছিল ২৮ শতাংশ, যা এখন বেড়ে ৩৩ শতাংশতে দাঁড়িয়েছে।

দিল্লিতে এনসিসি-এর ক্যাম্পের কথা উল্লেখ করে রাজনাথ সিং বলেন, “সারা দেশের ১১০৪টি স্কুল ও কলেজের পক্ষ থেকে এনসিসির প্রশিক্ষণের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আমরা সামরিক শিক্ষাবাহিনীতে নারীদের যোগদানের হার ২৮ শতাংশ থেকে ৩৩ শতাংশ করতে সক্ষম হয়েছি”।

তিনি আরও বলেন যে তিনি যখন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পান, তিনি তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে পুরস্কারের সংখ্যা ১৪৩ থেকে ২৪৩ করবেন। এর সঙ্গে তিনি পুরস্কার হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণও বৃদ্ধি করেন। দেশ গঠনের কাজে এনসিসির ভূমিকা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, “দেশকে রক্ষার ক্ষেত্রে সামরিক শিক্ষাবাহিনীর ভূমিকাও বেশ উল্লেখযোগ্য। তাঁরা অস্ত্র তৈরি কারখানায় সাহায্য করে ও সেনাবাহিনীতে অস্ত্র পৌঁছে দিতেও ভূমিকা নেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই আবার সশস্ত্রবাহিনীর সঙ্গে উদ্ধারকার্যেও সহযোগিতা করেন”।

গত ৮ই জানুয়ারি এনসিসির প্রজাতন্ত্র দিবস ক্যাম্পের জন্য অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইচ বলেন যে যদি সমস্ত স্কুল ও কলেজে এনসিসির প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে তিনি অবশ্যই তা স্বাগত জানাবেন। কিন্তু এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ব্যয়ভারের দিকটাও নজরে রাখতে হবে।

তাঁর কথায়, “যদি রাষ্ট্রীয় সামরিক শিক্ষাবাহিনীর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে খুবই ভালো চিন্তাধারা। কিন্তু আসল সমস্যা হল টাকা। আমদের দেশে যুবক-যুবতীদের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই। কিন্তু বিনামূল্যে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালানো অর্থনৈতিকভাবে সমস্যা হবে”।

এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে সামরিক শিক্ষাবাহিনী থেকে ২৫০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করবে। আগে এর সংখ্যা ছিল ৬০০। কিন্তু এই বছর করোনা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় প্রতিযোগী সংখ্যায় রাশ টানা হয়েছে।

RELATED Articles