করোনা পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত সকল মানুষ। সেই আতঙ্কের সুযোগ নিয়েই বেশ কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার এর জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন গবেষকরা। ভেন্টিলেশন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন থেকে শুরু করে নানা রকমের চিকিৎসার পরেও প্রাণ হারাতে হচ্ছে অনেক করোনা আক্রান্তকে। এই অবস্থায় করোনা থেকে বাঁচার জন্য অন্ধভাবে যে কোন পথ অবলম্বন করছেন লোকজন।
মানুষের সেই সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েই হায়দ্রাবাদের মিয়াপুরে লোক ঠকাতে শুরু করেছিলেন এক স্বঘোষিত ধর্মগুরু। কিন্তু বিনা পয়সায় নয় অবশ্যই, মাথাপিছু ১২০০০ টাকা করে দক্ষিণা হেঁকেছিলেন এই ভন্ড। এভাবেই লোক ঠকানোর ব্যবসা জমিয়ে বসেছিলেন মহম্মদ ইসমায়েল।
যদিও এখন এই ধর্মগুরুর জায়গা হয়েছে জেলে। মিয়াপুর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে এক ব্যক্তির কাছ থেকে এভাবেই ১২০০০ টাকা হাতিয়ে ছিলেন ওই ধর্মগুরু।
সেই অভিযুক্ত পুলিশে অভিযোগ জানাতেই ধরা পড়ে ইসমায়েল। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে, অভিযুক্ত ইসমায়েল লোক জড়ো করে জ্বর ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা সারিয়ে দেওয়ার দাবি করছিল। এর আগে ৭০ জনেরও বেশি মানুষকে নিজের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ছিলেন এই ধর্মগুরু। কিন্তু এইবার আর শেষ রক্ষা হলো না। জেলে যেতে হলো এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুকে। পুলিশ গোটা ঘটনাটির বিশদে তদন্ত চালাচ্ছে।





