মাঝেমধ্যেই নানান ধরণের মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন পুরীর শঙ্করাচার্্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী। তাঁর নানান মন্তব্য অনেকসময়ই বিতর্কের জন্ম দেয়। এবারও কিছুটা তেমনটাই হল। তাঁর কথায়, ‘আল্লাহ’ শব্দটি নাকি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। এই ভাষার সঙ্গে মা দুর্গার সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবী করেন তিনি।
নানান সময়ই নানান মন্তব্যে করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন এই স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী। কখনও তিনি দাবী করেছেন যে ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মস্থান মক্কা-মদিনাকে শিবলিঙ্গ রয়েছে তো কখনও আবার তিনি দাবী করেছেন যে ঈশা-মুসা পুরীধামে এসেছিলেন। এবার তাঁর দাবী, ‘আল্লাহ’ শব্দটি সংস্কৃত থেকেই উৎপত্তি।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর এক ধর্মীয় জনসভায় যোগ দেন স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী। সেখান থেকেই এমন দাবী করেন এই সভা থেকে বাগেশ্বর ধামের পীঠাধিশ্বর পণ্ডিত ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীকেও সমর্থন জানান তিনি। পুরীধামের শংকরাচার্য বলেন, “ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী খুব ভালো কাজ করছেন। হিন্দুদের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করছেন। তিনি তো তো কখনও বলেন নি তিনি চমৎকার করছেন। এ সবই হনুমানজির কৃপা”।
আসলে সম্প্রতি, জামিয়াৎ উলেমা-এ হিন্দ-এর প্রধান মওলানা সৈয়দ আরশাদ মাদনি দাবী করে বলেছিলেন যে ‘ওম’ ও ‘আল্লাহ’, এই দু’টি একই শব্দ। এরপরই স্বামী নিশ্চলানন্দ দাবী করেন যে সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে ‘আল্লাহ’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই শব্দটি আসলে একটি মাতৃশব্দ ও বেশ শক্তিশালী একটি শব্দ।
যেসমস্ত ব্যক্তিরা রামচরিত মানস ও চাণক্য নীতি পড়ার বিরোধিতা করেন, এদিন তাদেরও কটাক্ষ শানান স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী। রীতিমতো হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, “যদি সাহস থাকে বাইবেল এবং কোরানকে নিয়ে মজা করে দেখাক। ধর্ম এবং রাজনীতি আলাদা নয়। এদেরকে পৃথক করা সম্ভব নয়। ধর্ম ছাড়া রাজনীতির কোনও অস্তিত্ব নেই। ভারত একদিন হিন্দু রাষ্ট্র হবেই”।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!