বলা হয়েছিল তিলের নাড়ু বানাতে, বানিয়ে ফেলা হল তালের বড়া। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাত ন’টায় নয় মিনিটের জন্য আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালাতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু বিজেপির এক অতি উৎসাহী বিধায়ক জ্বালালেন মশাল। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে এই উদ্যোগে সামিল হতে বলেছিলেন। কিন্তু এই বিধায়ক আয়োজন করলেন মশাল মিছিলের। ইনি নিজের অনুগামীদের ঐক্যবদ্ধ করলেন এবং সদলবলে পথে নেমে মিছিল করলেন!
ইনি হলেন টাইগার রাজা সিং, তেলেঙ্গানার একমাত্র বিজেপি বিধায়ক। একাধিক বিদ্বেষমূলক এবং বিতর্কিত ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর ডাকে গোটা দেশ যখন আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালালো, তখন মশাল জ্বালিয়ে মিছিল করে ‘সামাজিক দূরত্ব’কেই দূর করে দিলেন তিনি।
হায়দরাবাদের রাস্তায় টাইগার রাজা সিংয়ের অনুগামীরা একপ্রকার তাণ্ডব করছিলেন। আর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিধায়ক নিজেই। মশাল হাতে তিনিই স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘চীনা ভাইরাস গো ব্যাক’। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি-ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় দেশজুড়ে। তেলেঙ্গানার ওই বিধায়ককে রীতিমত তুলোধোনা করেন নেটিজেনরা। অনেকেই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর কথা হয়তো ঠিকমতো বুঝতে পারেননি টাইগার রাজা সিং। তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করারও দাবি ওঠে।
শুক্রবার সকালে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণে করোনা মোকাবিলায় আত্মশক্তি জাগরণের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলেছিলেন, করোনার বিরুদ্ধে অসম যুদ্ধে সমস্ত দেশবাসী একজোট তা প্রমাণ করার সময় এসেছে। সেজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে গতকাল রাত ন’টায় নয় মিনিট প্রত্যেকে বাড়ির আলো নিভিয়ে ব্যালকনি বা দরজার সামনে প্রদীপ, মোমবাতি বা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট, টর্চ জ্বালিয়ে করোনা যুদ্ধে একতা দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সেই উদ্দেশ্য পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি তেলেঙ্গানার একমাত্র বিজেপি বিধায়ক। বাঘের গর্জন দেখাতে গিয়ে টাইগার সিং নিজেই এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!