অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছিল যে ভারত – পাক সীমানা পেরিয়ে জম্মু কাশ্মীরে নাশকতা ছড়াতে পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি দল৷ গোয়েন্দারা এও জানিয়েছিলেন যে এই জঙ্গি দলগুলো কাশ্মীরে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছে। আজ সেটিই হলো।
আজ শনিবার সকাল থেকেই শ্রীনগর তথা কাশ্মীরের অন্যান্য অনেক স্থানেই শুরু হয় জঙ্গি হামলা। ক্রমাগত জঙ্গিরা গ্রেনেড হামলা চালাচ্ছে বলে খবর। তবে জঙ্গিদের সঙ্গে কড়া মোকাবেলা করে চলেছে আমাদের সিআরপিএফ জওয়ানেরা। ইতিমধ্যেই সেনার গুলিতে ৪ জঙ্গি নিকেশের খবর মিলেছে। তবে সেনা জঙ্গির এই লড়াইয়ে শহীদ হয়েছেন আমাদের এক বীর জওয়ানও।
আজ সকালে রামবান জেলার বাটোটা এলাকায় জম্মু – শ্রীনগর জাতীয় সড়কের ওপরই এক বাসে হামলা চালায় একদল জঙ্গি। তবে চালকের বুদ্ধির দরুন বাসে কোনো যাত্রীর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি৷ এরপর সেই এলাকা ঘিরে ফেলে সিআরপিএফ জওয়ান ও পুলিশ কর্মীরা। সেনার হাত থেকে বাঁচতে জঙ্গিরা একটি বাড়িতে ঢুকে এক নাগরিককে বন্দী করে। তবে পিছু হটেনি সেনারাও, কৌশলে সেনারা উদ্ধার করে সেই বন্দী নাগরিককে। এবং সেখানে সেনার গুলিতে নিহত হয় তিন জঙ্গি। বাকী জঙ্গিরা পালিয়ে গেলে এখনও তাদের খোঁজ চলছে সেই এলাকা জুড়ে।
অপরদিকে সীমান্তের গন্ডেরবল এলাকায় সেনা জঙ্গি গুলির লড়াই শুরু হয়। সেনার নর্দ্যার্ন কম্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, গুলিতে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এই দিনই আবার শ্রীনগরের ডাউনটাউনে এক জনবহুল এলাকায় গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। যদিও এই হামলাতে কোনো হতাহতের খবর নেই৷ সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গে এখনও জারি রয়েছে জঙ্গিদের সংঘর্ষ।





