২০ লক্ষ কোটির ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পের প্রথম দিনের লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং মধ্যবিত্ত সমাজ। প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে পরিযায়ী শ্রমিক, গরিব-নিম্নবিত্ত, কৃষক, ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও হকারদের জন্য প্যাকেজ ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারমন। পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরাহা দিতে রেশন কার্ড না থাকলেও বিনামূল্যে দু’মাসের জন্য খাদ্যসামগ্রীর বন্দোবস্ত করবে সরকার, ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর! রয়েছে কৃষকদের জন্যও প্যাকেজ।
কৃষক এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে সরাসরি কি সাহায্য করেছে ভারত সরকার দেখে নিন তার এক ঝলক-
১. ৩ কোটি কৃষককে ৪.২২ লাখ কোটির লোন দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৩ মাস কিস্তি স্থগিত রাখার সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
২. ফসল লোনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক আদায়ের সময়সীমা ১লা মার্চ থেকে বাড়িয়ে ৩১শে মে ২০২০ পর্যন্ত করা হয়েছে।
৩. ২৫ কোটি টাকা লোনের উর্দ্ধসীমা সহ ২৫ লাখ নতুন কিষান কার্ড তৈরীর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
করোনার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর কৃষক এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে সরকারি সাহায্যের খাতিয়ান দেখে নিন এক নজরে-
১. ১.৩.২০২০ থেকে ৩০.৪.২০২০-র মধ্যে ৮৬,৬০০ কোটির ৬৩ লাখ লোনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
২. মার্চ ২০২০-তে নাবার্ড রিফিন্যান্সিং এর জন্য ২৯,৫০০ কোটি টাকা সমবায় ব্যাঙ্ক এবং গ্রামীণ ব্যাঙ্ক গুলিতে পাঠিয়েছে।
৩. মার্চ ২০২০-তে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৪,২০০ কোটি টাকা ব্যায় করেছে।
৪. ২০২০-র মার্চ থেকেই রাজ্য সরকারী সংস্থাগুলিকে কৃষিজ উৎপাদন সংগ্রহের জন্য অনুমোদিত মূলধন সীমা ৬,৭০০ কোটি করা হয়েছে।





