প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১২ বছরের এক নাবালিকার বুকে স্পর্শ করা এবং চাপ দেওয়া সহ তাকে জামা কাপড় খোলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনা পৌঁছয় আদালত পর্যন্ত। তার পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত এই রায় দেয়। বিচারপতি পুষ্প গান্ডিওয়ালা জানিয়েছেন, পোশাক খুললে বা পোশাকের ভেতর দিয়ে আপত্তিজনকভাবে হাত দিলে তবেই সেটা যৌন নির্যাতন। ত্বকের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শ না হলে তা যৌন নির্যাতন বলা যাবে না। তিনি আরও বলেছেন, যৌন নির্যাতন হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার জন্য পেনিট্রেশন বা শিশুর শরীরে অঙ্গ প্রবেশ হতেই হবে তা নয়। যে কোনএ ধরনের যৌন স্পর্শই অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। কিন্তু তা পোশাকের উপর দিয়ে হলে গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।
পকসো আইনের ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই অভিযুক্তের সর্বাধিক ৩ বছরের জন্য কারাবন্দী থাকার কথা। কিন্তু ওই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার ব্যাখ্যা দিয়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ এবং ৩৪২ নম্বর ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
এই ধরনের বিতর্কিত রায় দেওয়ার পরেই, শোরগোল পড়ে গেছে দেশজুড়ে।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!