২০১৯ সালেই তিন তালাক রুখতে প্রয়োজনীয় আইন ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু তবুও আজও সমাজে এই তিন তালাকের মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে। প্রায়ই এই ঘটনার উদাহরণ উঠে আসে শিরোনামে। ফের এমনই এক ঘটনার কথা জানা গেল। এক মার্কিন যুবক ভারতে ফোন করে স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার বিচার চেয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের দ্বারস্থ হন যুবকের স্ত্রী।
ঘটনাটি ঘটেছে হায়দ্রাবাদে। স্থানীয় সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সোমালিয়ার ওই যুবকের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় হায়দ্রাবাদের ওই যুবতীর। হায়দ্রাবাদে পড়াশোনা করতে আসে ওই যুবক। যুবতীকে সে জানায় তার বাড়ি হায়দ্রাবাদে হলেও সে আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এরপর ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ও সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছয়। বিয়ের পর ৬ মাস অন্তর স্ত্রীয়ের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন ওই যুবক। শেষ ভারতে এসেছিলেন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। কিছুদিন থেকে আবার বস্টনে ফিরে যান তিনি।
জানা গিয়েছে, ফিরে যাওয়ার পরেও কয়েকমাস স্ত্রীয়ের খরচের জন্য টাকা পাঠিয়েছেন তিনি। কিন্তু অক্টোবর মাসের প্রথমদিকে হঠাৎই ওই যুবতীর বাবা ফোনে ফোন করে তিন তালাক দেয় আমেরিকার প্রবাসী সেই যুবক। এরপরই এই ঘটনার বিচার চেয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে আবেদন জানিয়েছেন বছর ২৪ এর সেই যুবতী।
তালাক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হঠাৎই আমার স্বামী ৭ই অক্টোবর আমার বাবাকে ফোনে ফোন করে তিন তালাক দেয়। এরকম করার কিন্তু কোনও কারণ নেই। ওই ফোন করার পর থেকে আমার সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগই রাখছে না। আমার শাশুড়ি দুবাইতে ও আমার ননদ লন্ডনে থাকেন। তাদের এই ঘটনা জানিয়েছিলাম। তারা আমাকে ন্যায় পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তারাও আর আমার ফোন ধরছেন না। তাই উপায় না দেখে বিদেশমন্ত্রীকে সব কথা জানিয়ে ন্যায় বিচার চেয়েছি”।





