বিতর্ক ট্রোলিং এর মাঝে চুটিয়ে সংসার করছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। বিবাহিত জীবন উপভোগ করছেন কাঞ্চন মল্লিক আর শ্রীময়ী চট্টরাজ। সমস্ত কটাক্ষকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করছেন তারা। তাদের বিয়ের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। বিয়ে হওয়ার পর থেকে যেন আরও বেশি করে সামাজিক মাধ্যমে অ্যাক্টিভ হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। নানা ধরনের আপডেট শেয়ার করছেন তিনি। পাল্লা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়কেও (Pinki Bandopadhyay)।
দেড় বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ১০ জানুয়ারি ডিভোর্স ফাইনাল হয় পিঙ্কি (Pinki Bandopadhyay) আর কাঞ্চনের। ৫৬ লাখ টাকা ও দশ বছরের ছেলে ওশকে দেন তৃণমূলের বিধায়ক । পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডিভোর্সের মামলা শেষ হতেই শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে রেজিস্ট্রি সারেন কাঞ্চন মল্লিক। ১ মাস ৩ দিন পর করে নেন তৃতীয় বিয়ে। হবু স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতে ফুলের তোড়া, হিরের আংটি এবং লাল শাড়ি কিনে রেখেছিলেন। এই সারপ্রাইজ পেয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলেন শ্রীময়ী। এই দম্পতি রেজিস্ট্রি সেরেছেন প্রেমদিবসে। এবার বিয়ে করলেন কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজ।২ মার্চ সন্ধ্যায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী।
কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বয়সের ফারাক ২৭ বছরের, এদিকে পিঙ্কির (Pinki Bandopadhyay) সাথে কাঞ্চনের ফারাক ছিল বছর দশেকের। ইন্ডাস্ট্রিতে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের নাতনি হিসেবেই পরিচিত পিঙ্কি। ছেলে ওশ ও ঠাকুমাকে ঘিরেই এখন পিঙ্কির সংসার। বুধবার মাঝরাতে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বেশকিছু সেলফি মুডে তোলা ছবির কোলাজ শেয়ার করে অভিনেত্রী ক্যাপনে লেখেন, ‘Always let it be, So it be’। এই লাইনের বাংলা অর্থ ‘স্বস্তিতে থাকতে দাও…’। যাবতীয় পিছুটান ভুলে জীবনে এগিয়ে যেতে চান পিঙ্কি (Pinki Bandopadhyay)। ডিভোর্সের পর সাক্ষাৎকারে বারবার এই কথাই বলেছেন পিঙ্কি।
View this post on Instagram
এদিন শ্বশুরবাড়ি নতুন লোকে ধরা দেন পিঙ্কি। লাইম গ্রিন রঙের বুকচেরা শার্ট, চুলে কার্ল করা, অন্য হেয়ার স্টাইলে ধরা দিলেন অভিনেত্রী। চুলে কালার করার পর গোটা লুকটাই পাল্টে গেছে। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি (Pinki Bandopadhyay) বলেছেন, বিবাহবিচ্ছিন্ন পুরুষকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল তার। খোরপোষ বাবদ তারকা বিধায়কের থেকে ৫৬ লক্ষ টাকা পেয়েছেন পিঙ্কি। সে কথা নিজের মুখে স্বীকার করে জানিয়েছেন, ওই টাকা তাঁর নয়। ছেলে ওশের। ওশের লালন-পালনেই খরচ করবেন।
এখন পিঙ্কি কে আগলে রাখেন তার ছোট ছেলে। পিঙ্কির (Pinki Bandopadhyay) কথায়, ‘ওশ বলল যেটা বাস্তব সেটা বাস্তব। আমরা নতুন করে জীবন শুরু করব মা’। তবে বাবার প্রতি কোনও অভিমান নেই ওশের। বলেছেন, ‘বাবাকে ক্ষমা করে দিয়েছে ওশ।’





