এ কোন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)? এই দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) যেন কেউ চেনেনই নি। নেই তাঁর সেই মেজাজ, নেই কোনও কড়া মন্তব্য। একেবারে হাসিখুশি রূপী এই দিলীপকে এবার দেখা গেল তৃণমূলের অনুষ্ঠানে। সম্প্রীতির এক অনন্য নজির গড়লেন বিজেপি প্রার্থী।
দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলতেই সকলের সামনে ভেসে ওঠে লাগামছাড়া মন্তব্য করা এক ব্যক্তি। যিনি চর্চিত হবেন জেনেও কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করতে পিছপা হন না। নিজের নানান মন্তব্যের কারণে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। ভোটের প্রচারে তাঁর নানান বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে কমিশনের তরফে এসেছে সতর্কবার্তা।
কিন্তু দিলীপ (Dilip Ghosh) রয়েছেন দিলীপেই। কখনও নির্বাচন কমিশনকে ‘মেসোমেশাই’, তো কখনও আবার রাজ্যপালকে ‘কাকা’ বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করার কথা না হয় বাদ দেওয়াই গেল। কিন্তু খুশির ঈদের দিন নিজের সেই পুরনো সত্ত্বা থেকে বেরিয়ে এলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh)। এক অন্য মেজাজেই দেখা গেল তাঁকে।
আজ, বৃহস্পতিবার খুশির ঈদ। এদিন রোজকার মতো পূর্ব বর্ধমানে ভোট প্রচারে বেরিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখনে তালিতের বাঘার ২ নম্বর অঞ্চলে তৃণমূলের তরফে ঈদের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। শরবত খান, আওড়ান ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও। এরই মাঝে বক্তৃতাও রাখেন তিনি। তৃণমূল কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ধ্বনি দিলেও তাঁকে কিন্তু কোনওভাবেই মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি।
হঠাৎ কেন তৃণমূলের ক্যাম্পে দিলীপ (Dilip Ghosh)?
দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কথায়, এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল সাম্প্রদায়িক বার্তা দেওয়ার উদ্দেশে। তিনি জানান, তৃণমূল কর্মীরা তাঁর গাড়ি থামিয়ে তাঁকে শরবত খাওয়াতে এসেছিলেন। সেই কারনে তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে ওই অনুষ্ঠানে যান কিছু সময়ের জন্য। সকলকে শুভেচ্ছা জানান ঈদের।
বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য, সব ধর্মের অনুষ্ঠানকেই সমানভাবে সম্মান করা ও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তবে (Dilip Ghosh) এভাবে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখে যদিও তৃণমূল কর্মীরা বেশ চমকেই গিয়েছিলেন। তবে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে যেন ঐক্যের বার্তা দিলেন বিজেপি প্রার্থী।





