Bangladesh : ট্রাইবুনালের কঠোর রায়! শেখ হাসিনা ও কামালকে মৃত্যু*দণ্ড! বাংলাদেশ জুড়ে হিংসার শঙ্কা!

বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপ নতুন মাত্রা ছুঁয়েছে। দেশে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নতুন এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সোমবার সকালে তাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছে। রায় প্রকাশের আগে থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিনজন বিচারপতির বেঞ্চ সকাল সাড়ে দশটায় রায় ঘোষণা শুরু করে। প্রতিবেদকরা জানাচ্ছেন, মামলার আসামি হাসিনা ও কামাল পলাতক থাকায় তাদের সরাসরি নোটিশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুযায়ী, দুই নেতাকেই মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মামলায় তৃতীয় অভিযুক্ত প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে অশান্তির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, সরকারি দফতর, আদালত ও ট্রাইবুনাল সংলগ্ন স্থানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষভাবে সেনা, পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাবকে রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার অভাবে রবিবার রাতে ঢাকার সেন্ট্রাল রোডে এবং বাংলা মোটর এলাকায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রায়ের সাথে যুক্ত অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুতর। রাষ্ট্রপক্ষের মতে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলন দমন করা হয়। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যা, ঢাকার ছয়জন নিহতের ঘটনা এবং আশুলিয়ায় হত্যাকাণ্ডের নির্দেশের অভিযোগও রয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত সর্বোচ্চ সাজা ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুনঃ SIR : “পেটের দায়ে এখানে এসেছিলাম” – লোটা-কম্বল নিয়ে প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি SIR ভয়ে দেশে ফেরার পথে!

রায় প্রকাশের পর আওয়ামী লিগ দেশে শাটডাউনের ডাক দিয়েছে। দল আশা করছে, দেশে মানুষের বড় অংশ রাস্তায় নামবে না। অপরদিকে বিএনপি, জামাতসহ ৮ দলীয় জোট এই শাটডাউন প্রতিহত করার ঘোষণা করেছে। তাদের বক্তব্য, তারা দেশকে নাশকতার হাত থেকে রক্ষা করবে। পরিস্থিতি এতটাই সংবেদনশীল যে, সরকারপক্ষ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা দেশের যে কোনো অশান্তি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর