‘বাম-কংগ্রেস ভোট কেটে তৃণমূলকে জিতিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি খেলা হবে বাংলায়’, পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য সুকান্তর

পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের বেশিরভাগ প্রান্তেই উড়েছে সবুজ আবির। সিংহভাগ পঞ্চায়েত গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের দখলে। বিজেপি ভালো ফল করলেও তৃণমূলের ধারেকাছে নেই। পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলের পর এবার বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলের আঁতাত নিয়ে অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবী, তৃণমূলের বিরুদ্ধে একমাত্র লড়াই করেছে বিজেপি। বাম ও কংগ্রেস ছদ্মবেশে নির্বাচনে লড়ে ভোট কেটে তৃণমূলকে সুবিধা করে দিয়েছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার বিরোধী পরিসর কার্যত একার দখলে রেখেছিল বিজেপি। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই বিরোধী পরিসর কার্যত দ্বিধাবিভক্ত হতে দেখা গিয়েছে। বিজেপি যেখানে ২২ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট পেয়েছে, সেখানে বাম-কংগ্রেস জোটের সম্মিলিত ভোট প্রায় ২১ শতাংশ। বিরোধী ভোটে ভালমতোই ভাগ বসিয়েছে বাম-কংগ্রেস। আর সেটাই হয়ত বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।

সুকান্তর কথায়, “বাম-কংগ্রেস এখন ভোট কাটুয়া”। গতকাল, বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী অনন্ত মহারাজের মনোনয়নের পর পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাম-কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে বলেন, “কোথায় লড়াই করেছে? বরং ভোট কেটে বেশ কয়েক জায়গায় তৃণমূলকে জিতিয়েছে সিপিএম এবং কংগ্রেস। পঞ্চায়েতে একভোটেও হার-জিত হয়। ছদ্মবেশে লড়াই করছে সিপিএম এবং কংগ্রেস। দেখাচ্ছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, প্রকারান্তরে তৃণমূলের সুবিধা করে দিচ্ছে”।

সুকান্তর দাবী, বাম-কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে ভেতরে ভেতরে জোট করেছে। ২০২৪ সালের পর তারা সরাসরিই লড়বে বলে দাবী তাঁর। তিনি বলেন, “কেন্দ্রের দিকে নজর রাখুন। ২০২৪-এ কী হয় দেখুন। ২০২৪-এর পর বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খাবে। ২০২৬-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস একজোট হয়ে লড়াই করলেও অবাক হব না”।

ভোটারদের উদ্দেশে বিজেপির রাজ্য সভাপতির আহ্বান, “বিজেপিই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। সকলে আমাদের পতাকার তলায় আসুন। বাংলায় খুব শীঘ্রই খেলা হবে৷ বিজেপি খেলবে। ওরা শুধু গান বাজাচ্ছে। খেলব আমরা৷ ২০২৪ সালে কি হয় দেখুন”।

আরও অন্যান্য খবর