আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার ১০০ দিন কেটে গিয়েছে। এখনও বিচারহীন এই মামলা। এই ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। এবার ফের এক ঘটনায় এমনই প্রশ্ন উঠল। কর্তব্যরত অবস্থায় হাসপাতালের মধ্যে হেনস্থার শিকার এক নার্স। অভিযোগের কাঠগড়ায় তৃণমূল কাউন্সিলর।
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুরের গ্রামীণ হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, গতকাল, রবিবার গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বীরভূমের দুবরাজপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ নাজিরুদ্দিন। প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু তাঁর। দ্রুত দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
সূত্রের খবর, চিকিৎসক কাউন্সিলরকে চিকিৎসা করে জানান, উচ্চ রক্তচাপের জন্যই তাঁর এমন শরীর খারাপ। এর জন্যই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তাঁর। চিকিৎসক তাঁকে বলেন, তিনি যাতে নার্সের কাছে গিয়ে প্রেসার মেপে নেন। প্রেসার মাপার সময় অইই কাউন্সিলর নার্সের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীকেও কাউন্সিলর মারধর করেন বলে অভিযোগ।
এমন ঘটনায় তুমুল শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালে ও এলাকায়। কাউন্সিলরের দাবী, চিকিৎসক তাঁকে প্রেসার মাপার জন্য নার্সের কাছে যেতে বলেছিলেন। তাঁকে বসিয়ে রাখলেও প্রেসার মাপেন নি নার্স, এমনটাই দাবী তাঁর। সেই কারণেই তিনি মেজাজ হারান বলে দাবী কাউন্সিলরের। নার্সের দিকে তেড়ে যান।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে সিএমওএইচ বলেন, “আমি বিষয়টা শুনেছি। বিএমওএইচের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে”।
আর জি করের ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। নিজের কাজের জায়গাতেই নৃশংসভাবে খুন হতে হয় তরুণী চিকিৎসককে। সেই ঘটনার পরও রাজ্যের নানান হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক বা নার্সদের কর্তব্যরত অবস্থায় হুমকি দেওয়ার উঠেছে। এবার ফের এক নার্সকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!