খাদ্যসাথী প্রকল্প বন্ধ করে পে কমিশন দেবেননা। জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রে সপ্তম পে কমিশন চালুর পথে অথচ রাজ্যে এখনও ষষ্ঠ পে কমিশনই চালু হলোনা। এমতাবস্থায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা৷ লোকসভা নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে মিলেছে সেই ক্ষোভেরই ইঙ্গিত। ৪২ টি আসনের ৩৯ টিতেই পোস্টাল ব্যালটে পিছিয়ে তৃণমূল।

 

এরপর সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের আঁচ পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এরপরেও কাজের কাজ হয়নি৷ ফের ৬ মাস বৃদ্ধি হয়েছে বেতন কমিশনের মেয়াদ। এই নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসতে থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীরা হুমকি দিয়েছেন বড়ো আন্দোলনে নামার৷ অপরদিকে বিজেপিও এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের পাশেই থাকার কথা জানিয়েছে। এমতাবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বক্তব্য রাখলেন যে, সামর্থ মতো তিনি পে কমিশন দেবেন। রাজ্যে বিনামূল্যের বিভিন্ন প্রকল্প চলে তাই পে কমিশনের জন্য অর্থ সেইভাবে নেই। খাদ্যসাথীর মতো প্রকল্প বন্ধ করেতো পে কমিশন দেওয়া সম্ভব নয়।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, “বেতন কমিশন রিপোর্ট দেবে তবে তো তার কার্যকর করার প্রশ্ন। বেতন কমিশন তো রিপোর্টই পেশ করল না। তারা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। তার পর আমরা ভাবব কতটা সামর্থে কুলায়।” পে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য এদিন এভাবেই বেতন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের মানুষ বিনাপয়সায় পাচ্ছেন কন্যাশ্রী, খাদ্যসাথী, সমব্যাথী, স্বাস্থ্যসাথী, সবুজ সাথী, মিড-ডে- মিলের মতো প্রকল্পের সুবিধা৷ সব বিনা পয়সায় চললে পে কমিশনের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা রাজ্যের নিকট কীভাবে থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি আরও বলেন যে, ” যার যা প্রাপ্য সরকার সামর্থ অনুসারে তাকে তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। বেতন কমিশন সুপারিশ পেশ করলে সাধ্যমতো করব। আমি নিশ্চই বেতন কমিশনের সুপারিশ মানতে গিয়ে খাদ্যসাথী প্রকল্প বন্ধ করব না। গরিব লোককে ভাতে মারব না। গরিব লোককে আরও কাজ দেওয়াটাই আমার কাজ।”

আরও অন্যান্য খবর