জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা ট্রলারের, সম্পূর্ণ জলেই চলে গেল ১ টন ইলিশ, বরাত জোরে বাঁচলেন ১৬ জন মৎস্যজীবী

বড় দুর্ঘটনা। জাহাজের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেল ট্রলার। গভীর সমুদ্রে এমন ঘটনায় আতঙ্কিত মৎস্যজীবীরা। বরাত জোরে প্রাণ বাঁচে ১৬ জন মৎস্যজীবীর। কিন্তু এই ঘটনায় প্রচুর পরিমাণ ইলিশ নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, শুক্রবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বকখালি সমুদ্র তট থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে। সেখানে ট্রলার দাঁড় করিয়ে মৎস্যজীবীরা জাল ফেলার কাজ করছিলেন। সেই সময়ই ওই ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এক বিদেশি জাহাজের। ওই জাহাজের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়।

ট্রলার ডুবে যাওয়ার ফলে ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা ওই গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। সেই সময় আশেপাশেই অন্য দুটি ট্রলার ছিল। এমন ঘটনা দেখে ওই ট্রলারদুটি এগিয়ে আসে বিপদে পড়া মৎস্যজীবীদের সাহায্য করার জন্য। সকলকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে খবর।

আজ, শনিবার ওই মৎস্যজীবীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে কাকদ্বীপ ঘাটের দিকে রওনা দেয় উদ্ধারকারী ট্রলার। যে ট্রলারটি ডুবে গিয়েছিল, সেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এই দুর্ঘটনার জেরে ট্রলারে থাকা ১ টন ইলিশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর ফলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে মৎস্যজীবী ও ট্রলারের মালিককে।

এই বিষয়ে কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার নৈনান গাজিপুরে রাজেশ্বরী ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। শুক্রবার রাত আড়াইটে তিনটে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। গভীর সমুদ্রে ট্রলারটা তখনও মাছ ধরছিল। জাল পাতাই ছিল। একটা বিদেশি জাহাজ ভুল করে ধাক্কা মেরে দেয়। তাতেই আমাদের ট্রলারটা ডুবে যায়। ১৬ জন মৎসজীবী ছিলেন। তাঁরা সকলেই জলে পড়ে যান। যদিও আশেপাশে অন্য যেসব ট্রলার মাছ ধরছিল তাঁরা বড় বিপদ থেকে বাঁচান। তবে মাছ পুরোটাই জলে। জালেরও ক্ষতি হয়েছে”।

RELATED Articles