স্পুটনিক ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে বাংলার অবদান, সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ থেকে নির্বাচিত ১২ জন

দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে স্পুটনিক ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। এখন শুধু এথিক্স কমিটির অনুমতির অপেক্ষা। এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য বাংলা থেকে অংশ নিতে পারেন ১২ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে এমন খবরই মিলেছে।

চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই দেশজুড়ে শুরু হতে পারে স্পুটনিক ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। দেশের ১০০ জনের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে। সেখানে এই রাজ্যের সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজকে নির্বাচিত করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে। এথিক্স কমিটির অনুমতি পেলেই শুরু হবে এই প্রয়োগ।

সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেখানে ১২ জনের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত এই সংখ্যাটা ২০ জনও হতে পারে। সবমিলিয়ে ঠিকঠাক অনুমতি মিললে স্পুটনিক ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক পরীক্ষা নভেম্বর মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়ার আশা রাখছে সংস্থা।

এই বিষয়ে স্বাস্থ্য অধ্যাপক মলয় মণ্ডল বলেন, “সাবধানতার সঙ্গে এগোনো দরকার। যেভাবে প্রচার হচ্ছিল, তা একেবারেই ঠিক নয়। দ্বিতীয় ট্রায়াল শেষ হতে ডিসেম্বরও হতে পারে। অনেক বৈজ্ঞানিক দিক আছে। তা দেখে শুনেই বিজ্ঞানী গবেষক চিকিৎসকেরা এগোচ্ছেন। যারা বলছেন যে ভ্যাকসিন চলে এসেছে, তারা ঠিক কাজ করছেন না”।

দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক পরীক্ষায় সাফল্য মিললে ডিসেম্বরের শেষের দিকে তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক পরীক্ষা শুরু করা যেতে পারে। এর জন্য দেশের ১৪ জনকে নির্বাচিত করা হবে যাদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে। এই ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে এ রাজ্যের আরও দুটি বেসরকারি হাসপাতাল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও পিয়ারলেস হাসপাতাল অংশ নিতে পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে দেশের স্বাস্থ্য নীতি নির্ধারক কমিটির ওপর। তাছাড়া, রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের অনুমতিও এই ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

RELATED Articles