আমফানকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবিতে তৃণমূল নেত্রী সমর্থনে দিল্লিতে সরব আরও ২২টি রাজনৈতিক দল

বুধবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা সাক্ষী থাকল এক বিপর্যয়ী ধ্বংসলীলার। প্রতি ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি বেগে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় আমফান। এরপরই ঘূর্ণিঝড় আম্ফানকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাঁর সুরেই সুর মেলালেন আরও ২২টি বিরোধী রাজনৈতিক দল। শুক্রবার বিরোধী দলগুলির ভিডিও কনফারেন্সে যদিও উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এখনো অবধি রাজ্যে ৮৯ জন মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাষবাস, পথঘাট,বাড়িঘর, বিদ্যুৎ, দুরভাষ পরিষেবাও। প্রথম থেকেই আম্ফানের জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আম্ফানের বিভৎস রূপ দেখে তাকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবিতে সরব হল ২২টি রাজনৈতিক দল। দিল্লি থেকে আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করে বিরোধী রাজনৈতিক দল। তাতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন অধীর চৌধুরী, সোনিয়া গান্ধীও। সেই বৈঠকেই আম্ফানের ঘটনাকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর একটি আবেদনেই পরের দিনই আম্ফান বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতা দেখে রাজ্যকে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক অনুদানের ঘোষণাও করেছেন মোদী এবং বাংলার পুনর্গঠনে পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

শতাব্দীতে এমন বিপর্যয় দেখেনী বাংলা। ১৮৫ কিলোমিটার গতিবেগে তিন ঘণ্টা ধরে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় ৭টি জেলাকে ধ্বংস করে গেছে এই ঝড়। যার ফলে এখনো অবধি রাজ্যে ৮৯ জন মারা গেছেন। আর শুধুমাত্র কলকাতাতেই সাড়ে পাঁচ হাজার গাছ উপড়ে পড়েছে। এখন ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে মহানগর। তার স্বাভািবক হতেই যদি সাতদিন সময় লাগার সম্ভাবনা করা হলে বাকি জেলার হাল কি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

RELATED Articles

Leave a Comment