সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে বিধানসভায় বিক্ষোভ, সাসপেন্ড ৬ বিজেপি বিধায়ক, শুভেন্দু বললেন, ‘আমি গর্বিত’

সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই ইস্যু প্রতিবাদ দেখাচ্ছে বিজেপি। রাজভবন অভিযানও করেছেন বিজেপি নেতারা। এবার এই ইস্যু নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ ৬ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করলেন বিধানসভা স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ, সোমবার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তপ্ত হয় কক্ষ। সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবী করেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিজেপি বিধায়করা ‘সঙ্গে আছি সন্দেশখালি’ লেখা জামা পরে প্রবেশ করেন বিধানসভা কক্ষে। এদিন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিধায়কদের বলেন যাতে তারা সেই জামা খুলে ফেলেন। কিন্তু তা মানেন নি বিজেপি বিধায়করা।

এই অশান্তির মধ্যেই এই কক্ষের মধ্যেই কাগজ ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানাতে যান শুভেন্দু অধিকারীরা। সেই সময় স্পিকার বলেন, “অধিবেশন কক্ষে কাগজ ছেড়া যায় না। আমি কিন্তু সাসপেন্ড করব। শুভেন্দুবাবু আপনি ওনাদেরকে নিষেধ করুন”। একই সঙ্গে বিমান বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “বাইরে গিয়ে যা খুশি তাই করুন আপনারা”।

তবে স্পিকারের কথা শোনেন নি বিজেপি বিধায়করা। এরপরই বিজেপির ৬ বিধায়কদের সাসপেন্ড করেন স্পিকার। এদিন শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও সাসপেন্ড করা হয়েছে অগ্নিমিত্রা পাল, মিহির গোস্বামী, তাপসী মণ্ডল, বঙ্কিম ঘোষ ও শঙ্কর ঘোষকে। সাসপেন্ড হওয়ার পরই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তারা। বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

এদিন সাসপেন্ড হওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “সন্দেশখালির মায়েদের জন্য আমরা সাসপেন্ড হয়েছি। আমদের যত সাসপেন্ড করবে আমরা তত এগোবে। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই হয়েছে। সাসপেন্ড হয়ে আমি গর্বিত। আমাদের কোনও দুঃখ নেই”।

এদিনের এই ঘটনার আগে বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন লাগাতার স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু অধিকারী দাবী করেন, মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকলে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সন্দেশখালির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে। সন্দেশখালি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি দিচ্ছেন না কেন, প্রশ্ন তোলেন তিনি। সন্দেশখালি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবী করেছে বিজেপি। 

RELATED Articles