সাতসকালে হাড়হিম করা ঘটনা ঘটে গেল চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই। ট্রেনে ব্যবসায়ীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নাম ইমরান গায়েন। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার দেউলা স্টেশনে। উস্তি থানার পুলিশ ও ডায়মন্ড হারবার জিআরপি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আক্রান্ত ওই ব্যবসায়ী আপাতত হাসপাতালে ভর্তি।
সূত্রের খবর, ওই ব্যবসায়ীর নাম মসিয়ার জমাদার। আদতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগ্রামপুরের গড়িজোলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বছর আটেক আগে বাড়ি ছেড়ে পিসির কাছে নেতড়ায় থাকতে শুরু করেন। কলকাতায় ভাঙাচোরা বিক্রির কাজ করতেন তিনি।
আজ, রবিবার সকাল ৫ টা বেজে ২০ মিনিটে শিয়ালদহগামী ডায়মন্ড হারবার লোকালে ওঠেন মসিয়ার। ট্রেন চালু হতেই আচমকা চার দুষ্কৃতী চড়াও হয় মসিয়ার উপর। প্রথমে তাঁর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে খুনের চেষ্টা করে। কিন্তু বাধা দেন মসিয়ার। এরপরই তাঁর মাথায় ও হাতে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। এরপর দেউলা স্টেশনে ট্রেন ঢুকতেই অভিযুক্তরা নেমে যায়। অন্যান্য যাত্রীরা অভিযুক্তদের আটকানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি।
রক্তাক্ত ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয় তাঁর। কিন্তু ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতেই কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ব্যবসায়ী।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই উস্তি থানার পুলিশ পৌঁছয় দেউলাতে। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা করা হয়েছে, তা এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। প্রাথমিক অনুমান, পুরনো শত্রুতার কারণেই এই ঘটনা। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।





