শাশুড়ির অত্যাচার থেকে বাঁচতে শাশুড়িকেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেন এক বৌমা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। শুক্রবার ভোর রাতে প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় একটি সন্দেহজনক হলুদ ট্যাক্সিকে দেখে তল্লাশি চালায় পুলিশ। শেষে ট্যাক্সি থেকে উদ্ধার হয় এক বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ।
সূত্রের খবর, ওই বৃদ্ধার নাম সুজামানি গায়েন। বয়স প্রায় ৬০ এর কাছাকাছি। জানা গেছে শাশুড়ির হাত থেকে রেহাই পেতে বাবা-মা আর মামার সঙ্গে মিলে শাশুড়িকেই সরিয়ে ফেলের ছক কষেছিলেন বৌমা। বৌমার নাম সুজাতা গায়েন ও তাঁর বাবা মা মামা হলেন অজয় রাং, মালিনা মণ্ডল, বাসু মণ্ডল। ঘটনায় পুলিশ ট্যাক্সি চালক সহ বাকিদের গ্রেপ্তার করেছে।
এরপর জেরায় জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরের কালিতলায়। বৃহস্পতিবার রাতে মেয়ের বাবা মা এবং মামা মিলে খাওয়া দাওয়া করে রাত তিনটের পর সুজামানি দেবীকে খুন করেন।
প্রথমে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাঁকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। এরপর একটি সবজির বস্তার মধ্যে দেহ ঢুকিয়ে তাঁরা খালে ফেলার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেসতে গেল। এমসি ভ্যান টহলের সময়, ওদের আটকায় পুলিশ। প্রথমে পরমার কাছে আটকালেও ছেড়ে দেওয়া হয়, কিন্তু কথায় অসঙ্গতি পেয়ে পুলিসের সন্দেহ বাড়ে তাই প্রগতি ময়দান থানা এলাকায় পুনরায় তাঁদের আটকায় পুলিশ। এরপর ট্যাক্সি থেকে উদ্ধার হয় বস্তা। আর বস্তা খুলতেই মেলে মৃতদেহ। এখন সবাই পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।





