ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ যেন কমছেই না। ডিসেম্বরে এসেও এখনও অব্যাহত ডেঙ্গুর থাবা। ডেঙ্গুর কারণে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। বেশ কয়েকদিন এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর মৃত্যু হল তাঁর। ডেথ সার্টিফিকেটে যুবকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের কথা উল্লেখ করেছে নার্সিং হোম।
মৃত ওই যুবকের নাম পৃথ্বীরাজ দাস। বয়স ২১ বছর। ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন বারাসাতের এই যুবক। কিছুদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই যুবক। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বছর ডেঙ্গু শুধুমাত্র কলকাতাই নয়, জেলাতেও কাঁপন ধরিয়েছে। এই বছর মুর্শিদাবাদ, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার চিত্রটা ভয়াবহ ছিল। চিকিৎসকদের মতে, গত এক দশকে সর্বোচ্চ ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গিয়েছে এবার। মৃত্য়ুও যথেষ্ট চিন্তায় রেখেছিল। গত মাসেও বর্ধমানের এক মহিলা মারা গিয়েছেন। এবার ডিসেম্বরে এই পড়ুয়ার মৃত্যু।
কেন এত মৃত্যু বাড়ছে ডেঙ্গুতে?
স্বাস্থ্যভবনের অনুমান, ডেঙ্গু রোগীকে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই অসংখ্য রোগীর প্রাণসংশয় হচ্ছে রোগীদের। রোগীদের একটা বড় অংশ ফুসফুসে জল জমে, হার্ট ফেলিওর হয়ে মারা যাচ্ছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটছে বলে জানাচ্ছে স্বাস্থ্যভবন। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেসরকারি হাসপাতালে ঘটছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু রোগীর শরীরে জল শূন্যতা হয়। রক্তে প্লেটলেট কমে যায়। রক্তবাহিকা থেকে প্লাজমা লিক করে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রক্ত ঘন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আইভি ফ্লুয়িড বা স্যালাইন দেওয়ার কথা। তবে ঠিক কোন সময়ে কতটা স্যালাইন দিতে হবে, আর প্লেটলেয় কখন দেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকারি নির্দেশিকা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতাল তা মেনে চলছে না। ফলে বাড়ছে মৃত্যু।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!