সংসদে হামলা নিয়ে এখন গোটা দেশ উত্তেজিত। এরই মধ্যে এই হামলা নিয়ে উঠে এসেছে বাংলার যোগ। আর তা নিয়ে এখন শাসক-বিরোধী তরজা। এরই মাঝে এবার এই সংসদ হামলার মূলচক্রীর সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের ছবি শেয়ার করে তৃণমূলকে একহাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
সংসদে শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন হামলা হয়। লোকসভায় সেই তাণ্ডবের ঘত্নাত অন্যতম মূলচক্রী হল ললিত ঝাঁ। কলকাতায় ব্যবসা করেছে সে, এমন ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও পুলিশের নজরে রয়েছে নীলাক্ষ আইচ নামের হালিশহরের এক যুবকও। এমন সব চাঞ্চল্যকর তথ্য যখন উঠে আসছে তখন এই নিয়ে চর্চা আরও বাড়ালেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবী, সংসদ হামলার এই মূলচক্রী ললিত ঝাঁ দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়ের ঘনিষ্ঠ।
এক্স হ্যান্ডেলে বিধায়কের সঙ্গে ললিতের ছবিও শেয়ার করেছেন সুকান্ত মজুমদার। যদিও সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪x৭। তবে এই ছবি ঘিরে ইতিমধ্যেই একাধিক বঙ্গ রাজনীতির অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
https://twitter.com/DrSukantaBJP/status/1735286528262443389
তবে শুধু সুকান্ত মজুমদার নন, হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস রায়ের সঙ্গে একফ্রেমে ললিতের ছবি দেখিয়েছেন। এই ছবি প্রসঙ্গে তাপস রায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ললিত ঝাকে চেনেন না। তিনি বলেন, “সুকান্ত সেদিনের রাজনীতিক। আমি ৫২ বছর ধরে রাজনীতি করছি। উনি যা বলেছেন, তা ওঁকে প্রমাণ করতে হবে, নাহলে আমাদের আদালতে দেখা হবে। সিভিল ও ফৌজদারি দুইক্ষেত্রেই মানহানির মামলা করব। ছবি দেখিয়ে কারও সঙ্গে কোনও যোগ প্রমাণ করা যায় না”।
সুকান্তকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্যও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “উনি তৃণমূল ঘনিষ্ঠ আর বিজেপির সাংসদ এন্ট্রি পাস দিচ্ছেন? বাহ! আপনি তো যথেষ্ট শিক্ষিত সুকান্তবাবু, বিজেপিতে গিয়েই এরকম হয়ে গেলেন কেন?” সব মিলিয়ে তুঙ্গে তৃণমূল-বিজেপি তরজা”।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!