বিয়ের প্রস্তাবে না করায় মহিলা তৃণমূল কাউন্সিলরকে হেনস্থা, অভিযোগ দলেরই নেতার বিরুদ্ধে, কাউন্সিলরকে যৌ’নকর্মী বলে নিগ্রহ

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হন নি। এর মাশুল চোকাতে হচ্ছে তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে। অভিযোগ, দলেরই নেতা তাঁকে নানানভাবে হেনস্থা করে যাচ্ছেন। আপত্তিকর ভাষায় তাঁকে আক্রমণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। একটি ভিডিও প্রকাশ করে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ওই মহিলা কাউন্সিলর। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?

সোনারপুর-রাজপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হলেন পাপিয়া হালদার। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর দলের নেতা প্রতীক ডে তাঁকে নানানভাবে উত্যক্ত করে যাচ্ছেন। ওই নেতা ও তার দলবল তাঁকে হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ পাপিয়ার।

তিনি জানান যে তিনি এই বিষয়ে এলাকায় শীর্ষ নেতাদের অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই সময় পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে দলের মধ্যেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু তা হয়নি। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাপিয়াকে একাধিক বেআইনি কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতীক। তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু পাপিয়া তাতে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয় বলে জানিয়েছেন পাপিয়া।  

বিয়ের প্রস্তাবে না করায় মহিলা তৃণমূল কাউন্সিলরকে হেনস্থা, অভিযোগ দলেরই নেতার বিরুদ্ধে, কাউন্সিলরকে যৌ’নকর্মী বলে নিগ্রহ

একটি ভিডিও প্রকাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন পাপিয়া। তাঁর অভিযোগ, বাড়ি থেকে বেরলেই কখনও তাঁকে ‘বে’শ্যা’, কখনও ‘যৌ’নকর্মী’… এমন বিভিন্ন অশালীন কটূক্তি করা হচ্ছে। গা’লি’গা’লা’জও করা হচ্ছে তাঁকে, এমনই অভিযোগ কাউন্সিলরের। তৃণমূলের ওই মহিলা কাউন্সিলরের বক্তব্য, সম্প্রতি তৃণমূলের ওই নেতার লোকজন তাঁর বাড়িতেও চড়াও হয়েছিল।

কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার জানাচ্ছেন, এই চরম মানসিক ও সামাজিক অত্যাচারের ফলে তিনি প্রবলভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। কাউন্সিলরের অভিযোগ, তাঁকে পদ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এমনকী তাঁর প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে তিনি থানা ও পুরসভায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানান পাপিয়া হালদার।

RELATED Articles