রাজ্যের তৃতীয় বারের মতো তৃণমূল সরকার গঠন হওয়ার পর আজই ছিল প্রথম সাংগঠনিক বৈঠক।
আজ সেখানেই এদিন চোখে পড়ার মতো কিছু রদবদল দেখা গেল। যে ভাইপোকে নিয়ে বিজেপির এত মাথা ব্যাথা, যাঁর আর্থিক কেলেঙ্কারিতে পাথেয় করে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে চেয়েছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলটি সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্যে অবদান রাখার জন্য প্রথম ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাজ্য যুব তৃণমূল সভাপতি থেকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হলো। তাঁর যে পদোন্নতি হবেই তা আগে থেকেই জানা ছিল।
তবে সবাইকে চমকে দিয়ে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে হেরে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষকে রাজ্য যুব তৃণমূল সভানেত্রী করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আজ অর্থাৎ শনিবার তৃণমূল ভবনে আয়োজিত দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো তথা ডায়মন্ড হারবারের সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদোন্নতি প্রায় পাকা ছিল l
গুঞ্জন উঠেছিল কোন পদে বসাবেন তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? অবশেষে অভিষেককে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ দিলেন তিনি। এর পরই রাজ্য যুব তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন অভিষেক।
তৃতীয়বারের জন্য যে রাজ্য আবার তাঁদের সরকারের বসিয়েছে সেই মানুষের কাছাকাছি থাকতে হবে। মানুষের সঙ্গে মিশতে লালবাতি ওয়ালা গাড়ির ব্যবহার কমাতে হবে। সরকার ও দলের সমন্বয় বাড়াতে হবে। দল ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ালেও কোনও আলাদা সুযোগ নেওয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে দল এবং রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ ভিন্ন।
বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা থেকে শুরু করে সব কিছুতেই এবার তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকেও তাঁর নির্বাচন দেখে মনে হচ্ছে তারুণ্য শক্তিতে ভর করেই তৃণমূলকে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন তিনি।





