পরিসংখ্যান অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ভারতের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৩ শতাংশ মানুষের সম্পূর্ণ টিকাকরণ হয়েছে। এই অবস্থায় যদি ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু করা হয়, তাহলে বিদেশ সফরে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে পারেন ভারতীয়রা। এদিন জি-৭ বৈঠকে এমন আশঙ্কাই প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।
তিনি জানান যে এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট উন্নত ও ধনী দেশগুলির জন্য ঠিক আছে। কিন্তু ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট দেশের মানুষকে অসুবিধায় ফেলবে। শুধু তাই-ই নয়, এই ভ্যাকসিন পাসপোর্টকে তিনি ‘চরম বৈষম্যমূলক’ বলে দেগেছেন।
আরও পড়ুন- পড়ুয়ারা এবার টিকা পাবে স্কুলের মধ্যেই, কলকাতার এই নামী স্কুলই নিল বিশেষ উদ্যোগ
চলতি মাসেই ব্রিটেনে জি-৭ বৈঠক হওয়ার কথা। এর আগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের নিয়ে এই বৈঠক করে। এই বৈঠকে ভারচুয়ালি যোগ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। তিনি জানান, ভারতের মতো দেশে গোটা দেশবাসীকে দুটি করে টিকা দিতেই অনেকটা সময় লেগে যাবে। তাই ভ্যাকসিন পাসপোর্টের নিয়ম ভারতের জন্য সঠিক নয়।
কী এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট?
করোনা পরিস্থিতিতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার সার্টিফিকেট হল এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট। যারা নিজের দেশ থেকে অন্য দেশে যাবেন, তাঁদের টিকার দুটি ডোজ নিয়ে ছাড়পত্র গ্রহণ করে তবে পাড়ি দিতে হবে বিদেশে। অতিমারি পরিস্থিতিতে নিরাপদ ভ্রমণের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে অনেক দেশ।






