ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম বাংলায় আছড়ে না পড়লেও বাংলার বড় ক্ষতি করেছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলা ভেসেছে অকাল বৃষ্টিতে। আর এই অকাল বৃষ্টির জেরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল, আলু। গত দু’দিনে রাজ্যের দুই কৃষকের আ’ত্ম’হ’ত্যার ঘটনা সামনে এসেছে। আর এবার ফের আ’ত্ম’ঘা’তী হলেন আরও এক কৃষক। মানসিক অবসাদের জেরেই তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে দাবী পরিবারের।
কোথায় ঘটেছে ঘটনাটি?
মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটল চন্দ্রকোণার লাহিরগঞ্জ এলাকায়। মৃত কৃষকের নাম বাপি ঘোষ। তাঁর পরিবার সূত্রে খবর, ঋণ নিয়ে আলুর চাষ করেন তিনি। প্রায় চার বিঘা জমিতে পোখরাজ ও অন্যান্য আলুর বীজ বসিয়েছিলেন ওই কৃষক। কিন্তু অকাল বৃষ্টির কারণে জমিতেই পচে যায় আলুর বীজ।
এরপর থেকেই বেশ চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন বাপি। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। কীভাবে এত বড় ঋণ শোধ করবেন, তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না। আক্ষেপ করছিলেন বারবার। এরপর গত শুক্রবার রাতে বাড়িতেই বি’ষ খান তিনি।
একথা বোঝার পরই পরিবারের লোকজন তাঁকে দ্রুত ঘাটাল সুপার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। তখনও তাঁর প্রাণ চলছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকাল, শনিবার তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
কিন্তু শেষরক্ষা হল না। শনিবার গভীর রাতেই মৃত্যু হয় ওই কৃষকের। রবিবার তাঁর দেহ ময়নাতদন্ত হবে বলে জানা গিয়েছে। চাষবাস করেই বাপির সংসার চলত। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী, পুত্র রয়েছে। হাহাকার করছে তাঁর পরিবার। গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এই ঘটনার পর।
মৃত কৃষকের সঙ্গে দেখা করতে আসেন চন্দ্রকোণার বিধায়ক অরূপ ধাড়া। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। রাজ্যে একের পর এক কৃষকের আ’ত্ম’ঘা’তী হওয়ার খবরে বেড়েছে উদ্বেগ। অকাল বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ার জেরে ক্ষতিপূরণের দাবী তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী, নওশাদ সিদ্দিকিরা। যদিও সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!