ছকে এসেছিলেন আগে থেকেই। সেইমতো নির্দেশও দেওয়া ছিল বঙ্গ বিজেপি নেতাদের। আসন্ন বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে বাংলায় বিজেপির রাশ শক্ত করতে দুইদিনের বঙ্গ সফরে আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন সেরেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (home minister Amit Shah)।
রাজনীতির চাণক্যের বঙ্গ সফরের অন্তিম লগ্নে যা নিয়ে কটাক্ষ করলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তোপের মুখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ প্রথম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Bandopadhyay) কটাক্ষ, তফসিলি ও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছেন অমিত।
প্রসঙ্গত উল্লেখ যোগ্য, আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে তৎকালীন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে নিজের হাতে রান্না করে খাইয়েছিলেন নকশালবাড়ির আদিবাসী চা শ্রমিক গীতা মাহালি। কিন্ত সেই খেয়ে যাওয়ার পর থেকে বিজেপির কোনও নেতাই আর মাহালি পরিবারের খবর নেননি বলে অভিযোগ। চরম রাজনৈতিক দড়ি টানাটানির শিকার হন মালালিরা। গতকাল অমিত শাহের সফরের মধ্যেই সেই গীতা মাহালিকে(Geeta Mahali) হোমগার্ডে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
এই ঘটনার পরই আজ অর্থাৎ শুক্রবার টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘ তফসিলি ও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী ওই পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলারও প্রয়োজন বোধ করা হয়নি। এটাই অমিত শাহের মধ্যাহ্নভোজনের নেপথ্যের বাস্তব। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- আপনি কি শুধু ছবি তুলতে এখানে এসেছেন?’
https://twitter.com/abhishekaitc/status/1324663435456438272?s=20
দলীয় কর্মসূচিতে দু’দিনের সফরে বাংলায় এসেছেন অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় গিয়ে আদিবাসী এর পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ করেন শাহ। শুক্রবারও কলকাতায় মতুয়া এক পরিবারের বাড়িতে দুপুরের খাওয়ার খান তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহের হাত ধরেই রাজ্যে ফের শুরু হল ‘মধ্যাহ্নভোজন রাজনীতি’।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় আদিবাসী, দলিতের ভোটে প্রভাব ফেলেছিল গেরুয়া শিবির। লোকসভার সেই ধারা বজায় রেখে ভোট ছিনিয়ে নিতে ফের মরিয়া অমিত।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার