বগটুই গ্রাম থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সুদিপুর। সেই সুদিপুরেই রাস্তার উপরেই এক প্রাসাদসম বাড়িতে থাকেন আনারুল হোসেন। বাড়ির সামনে রয়েছে লম্বা বাগান। বাড়ির সামনে দাঁড় করানো রয়্যাল এনফিল্ড। বাড়ির ভিতরে কেউ নেই তবে বাড়ির বাইরে লোকে লোকারণ্য।
আজ, বৃহস্পতিবার বগটুই গ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশের দায়িত্ব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পুড়ে মারা যাওয়া বাসিন্দাদের পরিজনদের সান্ত্বনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ও চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মমতা।
এরপরই তিনি জেলা পুলিশকে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত আনারুল হোসেনকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আনারুল যদি ওই পরিবারগুলির আর্জি শুনে পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করত, তাহলে এমনটা হত না। বলে রাখি, বগটুই ঘটনার প্রথম থেকেই স্থানীয়রা আনারুলকে দোষী সাব্যস্ত করে এসেছে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ পাওয়ার পরই তৎপর হয় পুলিশ। ঘিরে ফেলা হয় আনারুলের বাড়ি। কিন্তু বাড়ির সামনে আনারুলের অনুগামীরা স্লোগান দিতে থাকে, “আগে আমাদের মতো ১০ হাজার ছেলের গ্রেফতার করুক পুলিশ। তারপর দাদাকে ছোঁয়া যাবে”।
তবে সেই সময় বাড়িতে পাওয়া যায়নি আনারুলকে। কিন্তু শেষমেশ ধরা পড়ল রামপুরহাটের তৃণমূল ব্লক সভাপতি। জানা গিয়েছে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই আনারুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারাপীঠের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। এবার এইন ঘটনায় দোষীরা ঠিকমতো শাস্তি পায় কী না, এখন সেটাই দেখার।





