সদ্য গরু পাচার মামলায় জামিন পেয়েছেন বীরভূমের ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তার জামিনের খবর পাওয়া মাত্রই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন তার অনুগামী সহ গোটা বীরভূম (Birbhum)। চলেছে দেদার মিষ্টি বিতরণ। নানা জায়গায় দেখা গেছে খাসির মাংসের ভুরিভোজের দৃশ্য। এই একই ছবি ধরা পড়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যার জামিন পাওয়ার খবরেও।
খুশির হাওয়া বইছে গোটা বীরভূম জুড়ে। বীরভূমের নানুরের এক গ্রামে ৪০০ গ্রামবাসীকে খাওয়ান হল খাসির মাংস। এলাহি মেনুতে ছিল ভাত, আলু তরকারি, খাসির মাংস, পাপড় এবং দই। এছাড়াও ওটা বীরভূম জুড়ে জায়গায় জায়গায় চলল মিষ্টি বিতরণ। কারণ তাদের সবার প্রিয় ‘কেষ্ট দা’ ফিরছেন আবার তার নিজের জায়গায়।
গ্রেফতার হওয়ার সময় অনুব্রতর শরীরে বেশ কিছু রোগজনিত সমস্যা ছিল। এমনকি দিল্লির আদালতে আসতেন হুইল চেয়ার করে। তবে বর্তমানে শোনা যাচ্ছে বেশ খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি । প্রায় ৩০ কিলো ওজন কমিয়ে ফেলেছেন অনুব্রত এমনই খবর শোনা যাচ্ছে। এখন আর প্রয়োজন হচ্ছে না হুইল চেয়ারের। হেঁটেই যাতায়াত করতে পারছেন তিনি। শরীরে ছোটখাটো যেসব রোগ বাসা বেঁধেছিল সেই সবও নির্মূল হয়ে গেছে জেলে থাকাকালীন নিয়মিত চিকিৎসার ফলে।
সোমবারেই নিজের গড় বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন অনুব্রত মণ্ডল। ফলে বীরভূমের তৃণমূল কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনুব্রতর বাড়ি এবং পার্টি অফিস পরিষ্কার করে সাজিয়ে তুলতে। এতদিন বাড়ি ছিল তালা বন্ধ। রবিবার তৃণমূল কর্মীরা মিলে সাফাই অভিযান চালালেন প্রিয় কেষ্ট দার বাড়িতে। সাথে পরিষ্কার করে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে অনুব্রতর অফিস। এই অফিস থেকেই পুরো বীরভূম কন্ট্রোলে রাখতেন অনুব্রত মণ্ডল।

বীরভূমের সদর তৃণমূল সহ সভাপতি প্রিয় কেষ্টদার বাড়ির এবং অফিসের সাফাই অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, “দাদা এই ঘরে বসত এসে। তাই আমাদের কর্মীরাই হাত লাগিয়েছেন। যাতে ঘর নতুন করে সেজে ওঠে। দাদার চেয়ার পালিশ হচ্ছে। পর্দা পরিষ্কার হচ্ছে। দাদা ঝুল-নোংরা একদম পছন্দ করেন না। পরিষ্কার রাখতে ভালবাসেন। তাই যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কারের চেষ্টা করছি”।





