রাজ্য

কেষ্টর বিরুদ্ধে মেলেনি যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ, অনুব্রতকে বেকসুর খালাস করে দিল আদালত

২০১০ সালের মঙ্গলকোটের বিস্ফোরণ মামলায় বেকসুর খালাস করা হল অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandl)। আজ, শুক্রবার বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালতে (MP-MLA court) এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতেই মঙ্গলকোট বিস্ফোরণ (Mongolkot blast) মামলায় বেকসুর খালাস ঘোষণা করল কেষ্টকে। তাঁর আইনজীবী জানান যে তথ্য প্রমাণের অভাবে মঙ্গলকোট হিংসা মামলায় অনুব্রতকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে।

শুধু তাই-ই নয়, এই মামলায় অনুব্রতর সঙ্গে যারা অভিযুক্ত ছিলেন সেই ১৪ জনকেও বেকসুর খালাস করে দিল এমপি-এমএলএ আদালত। এই মুহূর্তে অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আসানসোল জেলে বন্দি রয়েছেন। আজই তাঁকে বিধাননগরের আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে এদিন সওয়াল-জবাবের পর অনুব্রতর বিরুদ্ধে যথাযথ তথ্য মেলেনি বলে জানান তাঁর আইনজীবী। এই কারণেই তাঁকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয়।

বলে রাখি, ২০১০ সালের ৫ মার্চ মঙ্গলকোট থানার লাখুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মল্লিকপুর গ্রামে সন্ধেবেলা বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। বোমা বিস্ফোরণে কেবুলাল শেখ নামের একজন ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই বছরই অক্টোবর মাসে চার্জশিট দেয় মঙ্গলকোট থানা। তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

এই মামলার চার্জশিটে নাম রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল-সহ মোট ১৫ জনের। মঙ্গলকোট বিস্ফোরণ মামলার চার্জশিটে নাম উঠেছিল কেতুগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজের। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি হলেও, তাঁর গ্রেফতারির আগে পর্যন্ত তিনি তিনটি বিধানসভার সাংগঠনিক কাজ দেখতেন। এই তিন বিধানসভা হল কেতুগ্রাম, আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোট। ২০০৯ সাল থেকেই এই সমস্ত এলাকায় কেষ্টর যাতায়াত।

তবে বীরভূমের তৃণমূলের দাবী, সেদিন ওই ঘটনার সময় অনুব্রত মঙ্গলকোটে ছিলেন না। তিনি ছিলেন লাভপুরে। তৃণমূলের তরফে দাবী করা হয়েছে যে বুদ্ধবাবুর পুলিশ সেই সময় মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছিল অনুব্রতকে।

Back to top button
%d bloggers like this: