গত আগস্ট মাসে গরু পাচার কাণ্ডে (cattle smuggling case) গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। জেলবন্দি অবস্থায় কেটে গিয়েছে ছ’মাস। বারবার জামিনের (bail) আর্জি জানালেও তা খারিজ হয়েছে। এরই মধ্যে শরীরটা বিশেষ ভালো নেই তাঁর। সেই কারণে সংশোধনাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal)।
এদিন সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় অনুব্রত বলেন, “শরীর ভালো নেই, বুকে ব্যাথা”। বেশ অনেকটাই ওজন কমেছে বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার। গত তিনমাসে ৯ কেজি ওজন কমে গিয়েছে কেষ্টর।
ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। প্রায় এক ঘন্টা ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে স্পেশ্যাল অবজারভেশন রুমে স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয় তাঁর। হাসপাতাল সুপার ইনচার্জ উত্তম কুমার রায় জানান, অনুব্রতকে হাসপাতালে ভর্তি করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। অর্শে ক্ষত তৈরি হয়েছিল। তবে বাকি সবই ঠিকঠাক রয়েছে।
এই মুহূর্তে অনুব্রতর ওজন ৯১ কেজি। তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা ১১১ মিলিগ্রাম। রক্তচাপ ১৩০/৮০। পালস রেট ৮৩। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৯ শতাংশ। আগের থেকে অনেকটা ওজন কমেছে কেষ্টর। গত আগস্ট মাসে যখন তিনি গ্রেফতার হন, তখন তাঁর ওজন ছিল ১১৫ কেজি। গত নভেম্বরে অনুব্রতর ওজন কমে দাঁড়ায় ১০০ কেজিতে। আর বর্তমানে তাঁর ওজন ৯১ কেজি। জেলে থাকা অবস্থায় এতদিনে ২৪ কেজি ওজন কমেছে কেষ্টর।
অনুব্রত মণ্ডল এমনিতে বেশ অসুস্থ। মধুমেহ থেকে শুরু করে উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা রয়েছে তাঁর। এর সঙ্গে রয়েছে ফিসচুলার সমস্যাও। সেই কারণে সংশোধনাগারের মেডিক্যাল ওয়ার্ডে অক্সিজেনের বন্দোবস্ত রয়েছে। তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য রয়েছে রক্তচাপ মাপার যন্ত্র, ইসিজি মেশিন রয়েছে। আজ অনুব্রতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় হাসপাতালের নিরাপত্তা বেশ বাড়ানো হয়েছিল। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।





