স্বয়ং রবীন্দ্রনাথকেই ‘বহিরাগত’ বলেছিলেন বিশ্বভারতী উপাচার্য! ‘অসুস্থ ও পাগল’ বলে সম্বোধন অনুব্রত’র!

‘বহিরাগত’র প্রত্যুত্তরে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসলেন অনুব্রত মণ্ডল। ঘটনাটি হলো বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সম্প্রতি গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বহিরাগত বলেন। পাশাপাশি নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, যদি তিনি (রবীন্দ্রনাথ) পছন্দ না করতেন, তাহলে বিশ্বভারতী শান্তিনিকেতনে বিকশিত হত না। এছাড়াও, যাঁরা বিশ্বভারতীকে জ্ঞান সৃষ্টি ও বিস্তারের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সবাই বোলপুরের বাইরে থেকেই এসেছিলেন।

আর এই কথার জেরেই ইয়ুথ ইন পলিটিক্স-এর অনুষ্ঠান থেকেই উপাচার্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখানেই তিনি বলেন, একমাত্র অসুস্থ ও পাগল হলেই এই কথা বলা সম্ভব।

তবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন, আশ্রমিক এবং বিশিষ্টরা। ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে জায়গার সৃষ্টি কর্তা, তাঁকেই সেখানে বহিরাগত বলা হচ্ছে। উপাচার্য কীভাবে তাঁকে বহিরাগত বলতে পারেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিয় ঠাকুর।

উপাচার্যের এই মন্তব্য নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর মতে এই মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে উপাচার্য বুধিয়ে দিয়েছেন, তাঁর উপাচার্য হওয়ার যোগ্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, এই কথা বাংলা, ভারত তথা বিশ্বের মানুষ কীভাবে নেবেন, তাই তিনি ভাবছেন।

এছাড়াও এদিন বিশ্বভারতী নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসে অনুব্রত মণ্ডলের সামনে। সেই সময় তিনি বলেন, বিশ্বভারতীকে কোনওভাবেই জেলখানার মতো করে ঘিরে দেওয়া যায় না। তিনি বলেন কখনও ১০ ফুটের পাঁচিল হয়। এটা কি জেলখানা। নাম না করে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে অসুস্থ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।

RELATED Articles

Leave a Comment