বাংলাদেশে পরিস্থিতি যেন দিনদিন খারাপ হচ্ছে। ভারত-সহ নানান দেশের কড়া বার্তা সত্ত্বেও থামছে না হিন্দুদের উপর নির্যাতন। ভাঙচুর জারি হিন্দু মন্দিরে। এমন পরিস্থিতিতে এবার বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনের রাজ্যবাসীকে সতর্কবার্তা দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। নিজেদের রক্ষার্থে ঘরে ঘরে অস্ত্র রাখার নিদান দিলেন তিনি।
গতকাল, রবিবার জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত শ্যামনগরে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে গিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের এক প্রাক্তন সেনাকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চারদিনের মধ্যে নাকি কলকাতা দখল করা হবে। যদিও সেই হুঁশিয়ারি তেমন জোরালোভাবে নিতে নারাজ এপার বাংলা। তবুও রাজ্যবাসীকে সতর্ক করলেন অর্জুন।
হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এপার বাংলার হিন্দুদের উদ্দেশে অর্জুন বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর কী চলছে সবাই দেখতে পাচ্ছেন। সেখানকার প্রাক্তন সেনকর্তা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখল করে নেবেন। কলকাতার রাজপথ ইতিমধ্যেই জেহাদিরা দখল করে নিয়েছে। সে কারণেই বাংলায় দুর্গাপুজো, কালীপুজো করতে বাধা দেওয়া হয়। জেহাদিদের রুখতে একজোট হতে হবে সনাতনীদের”।
বিজেপি নেতা এও মনে করিয়ে দেন, “বিজেপিই একমাত্র হিন্দুদের রক্ষা করতে পারে। সে কারণেই আমরা আহ্বান জানাচ্ছি যে আপনারা বিজেপির সদস্যতা নিন”।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে নানান প্রতিবাদ কর্মসূচি জারি রয়েছে বিজেপির। সনাতন হিন্দু সমাজ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, সীমান্ত অবরোধ করা হয়েছে। সেই বিক্ষোভে অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির নেতারাও সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সঙ্গে বাংলাদেশের ইস্যু নিয়ে প্রতিবাদ করছেন। এরই মাঝে এবার সতর্কবার্তা এল অর্জুন সিংয়ের তরফে।
বলে রাখি, বাংলাদেশের সেনা কর্তার কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারির পর এ দেশের প্রাক্তন এনএসজি কম্যান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। এক সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, “কলকাতা দখল তো ছেড়ে দিন। ভারতের মাটিতে পা রাখলে ওই সীমান্তেই ভারতের মাটিতে ওদের কবর দেব। তাতে গোলাপ ফুলও দেব কোনও সন্দেহ নেই। যদি ক্ষমতা থাকে, কলকাতা অনেক দূরের কথা, ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে একটা পা রাখুক”।





